চট্টগ্রামে মিয়ানমারের পেঁয়াজে পচন, বিপাকে আড়তদাররা

আমাদের নতুন সময় : 10/10/2019


অনুজ দেব : চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার চাক্তাই-খাতুনগঞ্জে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজে পচন ধরায় বিপাকে পড়েছেন আড়তদাররা। পচে যাওয়া পেঁয়াজ অস্বাভাবিক কম দাম বিক্রি বা ফেলে দিতে হচ্ছে। মিয়ানমার থেকে প্রতি কেজি ৪২ টাকা আমদানি খরচ পড়া পেঁয়াজ গত কয়েকদিন থেকে চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায়। কোনো কোনো গুদামে বস্তা থেকে ভালো পেঁয়াজগুলো বাছাই করে আলাদা করছেন শ্রমিকরা। আবার ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের কাছে কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন কেউ কেউ। তবে উন্নতমানের ভারতীয় পেঁয়াজের দাম এখনো তেমন একটা কমেনি। পাইকারি বাজারে ভারতীয় উন্নতমানের পেঁয়াজ মানভেদে কেজিপ্রতি ৭০-৭৫ টাকা এবং মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৫৫-৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ আড়তদার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম দৈনিক আমাদের নতুন সময়কে বলেন, সঠিক ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করায় মিয়ানমার থেকে আমদানি করা অধিকাংশ পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে একেবারেই কম মূল্যে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
আড়তদাররা জানান, মিয়ানমার থেকে টেকনাফ হয়ে পেঁয়াজের একটি চালান চট্টগ্রাম আসতে গড়ে ৭ থেকে ১০ দিন সময় লাগছে। কাঠের এবং লোহার বোটে করে মিয়ানমারের রপ্তানিকারকদের পাঠানো পেঁয়াজের বস্তাগুলো দীর্ঘসময় ধরে কোল্ড স্টোরেজের বাইরে থাকায় গরমে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া মিয়ানমার থেকে নৌপথে আসা পেঁয়াজবাহী ট্রলারে পানি ঢুকেও অনেক পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, দেশীয় পেঁয়াজের পরে বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে ভারতীয় পেঁয়াজের। মিয়ানমারের পেঁয়াজের কিছুটা চাহিদা থাকলেও একেবারেই বিক্রি নেই মিশরের পেঁয়াজটির। সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]