• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » যক্ষার জীবানু ফুসফুসে বংশবৃদ্ধি করলেও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম, বললেন ডা. আবু রায়হান­


যক্ষার জীবানু ফুসফুসে বংশবৃদ্ধি করলেও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম, বললেন ডা. আবু রায়হান­

আমাদের নতুন সময় : 10/10/2019

 

শাহীন খন্দকার : যক্ষ্মা প্রায় যেকোনও অঙ্গে হতে পারে (ব্যতিক্রম কেবল হৃৎপিন্ড, অগ্ন্যাশয়, ঐচ্ছিক পেশী ও থাইরয়েডগ্রন্থি)। যক্ষ্মা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ফুসফুসে। টিকা বা ভ্যাকসিনেশন-র মধ্যে দিয়ে যক্ষ্মা প্রতিরোধ করা যায়। তবে ফুসফুসে যক্ষ্মা হলে হাল্কা জ্বর ও কাশি হতে পারে। কাশির সঙ্গে গলার ভিতর থেকে থুতুতে রক্তও বেরোতে পারে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট হিসেবে ৫-৬ মাস জ¦র থাকার মূল কারণ এই টিবি। রাজধানীর শ্যামলী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যক্ষা হাসপাতালটির কার্যক্রম ২০১৭ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়। যদিও ২৫০ শয্যার হলেও ১৫০ শয্যা বর্তমানে চালু রয়েছে বলে জানালেন প্রকল্প পরিচালক।
বাংলাদেশে যক্ষ্মারোগীর সংখ্যা বর্তমানে ২ লাখ ২৩ হাজার ৯২২ জন। এরমধ্যে ওষুধ প্রতিরোধী (এমডিআর) যক্ষ্মারোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৭০০ জন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এ রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আরো বেশি। দেশের সব জায়গায় রোগ পরীক্ষার আধুনিক ব্যবস্থা না থাকায় অনেক রোগী জানেই না যে সে যক্ষ্মাক্রান্ত। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে শনাক্তহীন এ রোগীরা সবচেয়ে বড় বাধা বলে মনে করছেন পরিচালকের দায়িত্বে থাকা উপ-পরিচালক ডা: মো: আবু রায়হান।
পরিচালক বলেন, দেশে যক্ষ্মারোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ২০১৬ সালে ২ লাখ ২৩ হাজার ৯২২ জন, ২০১৫ সালে ২ লাখ ৬ হাজার ৯১৫ জন, ২০১৪ সালে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৭৯৭ জন, ২০১৩ সালে ১ লাখ ৯০ হাজার ৮৯৩ জন, ২০১২ সালে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০৭ জন এবং ২০১১ সালে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৭ জন যক্ষ্মারোগী শনাক্ত হয়। ২০১৫ সালে যেখানে শিশু যক্ষ্মারোগী ছিল ৭ হাজার ৯৮৪ জন, সেখানে ২০১৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ হাজার ২৯১ জন। মাঠ পর্যায়ের কর্মী ও এনটিপির কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে বিনামূল্যে এক্সরে চালু করা হলেই যক্ষ্মা শনাক্তের কাজ অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ বৈশ্বিক টিবি প্রতিবেদন (২০১৬) এবং জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির (এনটিপি) সাম্প্রতিক জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি প্রতিবেশী দেশ ভারত।
তবে দেশে যক্ষ্মা শনাক্তে উচ্চতর গবেষণা করছে ন্যাশনাল টিউবারকোলসিস রেফারেন্স ল্যাবরেটরি (এনটিআরএল) গবেষণাগার সূত্র জানায়, ৫০ শতাংশ যক্ষ্মারোগীর কাশি হয় না। ফলে তারা পরীক্ষাও করেন না। অন্যান্য রোগের চিকিৎসা করানোর সময় এক্সরে বা মাইক্রোস্কোপিক নিরীক্ষণের সময় এদের যক্ষ্মা শনাক্ত হয়। ৫৬ শতাংশ জীবাণুযুক্ত রোগী অনুবীক্ষণ যন্ত্রে ধরা পড়ে। সম্পাদনা : ওমর ফারুক, আবদুল অদুদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]