• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশু নিপীড়নে সেনা সদস্যের সম্পৃক্ততা পেলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, বললেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ


রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশু নিপীড়নে সেনা সদস্যের সম্পৃক্ততা পেলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, বললেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ

আমাদের নতুন সময় : 10/10/2019

ইসমাঈল ইমু : গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বগুড়া সেনানিবাসে আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে ষষ্ঠ সাঁজোয়া কোরের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, শুধু চাকরিচ্যুত নয় সিভিল জেলেও পাঠানো হবে।
তিনি বলেন, প্রায় ১ দশমিক ২ মিলিয়ন রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ায় আন্তর্জাতিক পরিম-লে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতা প্রশংসিত হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি সেনাবাহিনীও কাজ করছে। শিশু ধর্ষণের ঘটনাস্থলে শুধু সেনাবাহিনী নয়, অন্যান্য বাহিনীর টহলও ছিল। ক্যাম্পগুলো থেকে রোহিঙ্গারা বের হয়ে যাচ্ছে, বিভিন্ন স্থানে ধরাও পড়ছে। রোহিঙ্গারা দেশের বাইরে যাওয়ার চেষ্টাও করছে। তাই অপরাধ ঠেকাতে, রোহিঙ্গাদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ ও তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে সাতটি ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর ওপর হামলাসহ বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান বলেন, শান্তিচুক্তির আওতায় সেখানে সেনাসদস্য কমিয়ে ও অনেক ইউনিট গুটিয়ে নেয়া হয়েছে। শান্তিচুক্তিতে শর্ত ছিল- শান্তি বাহিনী ও অন্যরা কোনো অস্ত্র রাখবে না। কিন্তু তারা সে শর্ত ভঙ্গ করে যাচ্ছে। ইউপিডিএফের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ হচ্ছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারও করা হচ্ছে। চাঁদাবাজিসহ অভ্যন্তরীণ কোন্দলে নিজেদের মধ্যে অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। তারা শান্তিচুক্তির শর্ত পালন করছে না। তাই আমরা অতীতের চেয়ে কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছি। সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কাঁটাতারের বেড়া দেয়া হচ্ছে এরপর সব নিয়ন্ত্রণ হবে।
এর আগে সেনাপ্রধান সাঁজোয়া কোরের পুনর্মিলনী প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। বগুড়া সেনানিবাসের আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে এই পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সামরিক-অসামরিক কর্মকর্তা ছাড়াও আর্মার্ড কোরের অবসরপ্রাপ্ত ও চাকরিরত কর্মকর্তারা অংশ নেন।
প্যারেড পরিদর্শন শেষে সেনাপ্রধান তার বক্তব্যের শুরুতে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার রূপকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করেন। সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া কোরের সদস্যরা ‘প্রাণ দেব মান নয়’ মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত। এ কোরের সদস্যরা দেশের অভ্যন্তরে যেকোনো দুর্যোগময় মুহুর্তে ও জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। সরকার সাঁজোয়া কোরের আধুনিকায়নে অত্যাধুনিক যুদ্ধযান ট্যাংক এমবিটি-২০০০ ও রিকোভারি যান সংযোজন করেছে। এ ছাড়া ১৬ ক্যাভ্যালরি ও ২৬ হর্স নামে আরও দুটি রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। দেশ ও দেশের বাহিরের যেকোনো হুমকি মোকাবেলায় সেনাবাহিনীকে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]