• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » সংবাদ সম্মেলনে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এক উপ-পরিদর্শকের ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ


সংবাদ সম্মেলনে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এক উপ-পরিদর্শকের ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

আমাদের নতুন সময় : 10/10/2019

 

ইসমাঈল ইমু : বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের একজন উপ-পরিদর্শকের বিরুদ্ধে চরম অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, পুরাতন এ্যাফিলিয়েশনপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এ্যাফিলিয়েশন নবায়ণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন শাখা সংযোজন এমনকি প্রতিষ্ঠানের কমিটি গঠনেও মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে থাকেন তিনি।
গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে পটুয়াখালী কৃষি ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা মো. হানিফ উল্লাহ্ এসব অভিযোগ করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বরগুনা কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন, বরগুনা কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হারুন আকন্দ।
লিখিত বক্তব্যে হানিফ উল্লাহ বলেন, উপ পরিদর্শক পদে থাকা বিজয় কুমার ঘোষ নামে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতির একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও রহস্যজনক কারণে গত প্রায় চার মাসেও তদন্ত রিপোর্ট দেয়া হয়নি। তিনি আরো বলেন, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল ডিপ্লোমা-ইন-এগ্রিকালচার, ডিপ্লোমা ইন ফিসারিজ, ডিপ্লোমা ইন মেডিক্যাল টেকনোলজি শিক্ষাক্রমের শাখাা সংযোজন আসন বৃদ্ধি। নাম ও স্থান পরিবর্তন এর ব্যবস্থাপনা কমিটি সংক্রান্ত কাজ করেন। এসব গুলো বিভাগের দায়িত্ব পালন করছেন উপ পরিদর্শক বিজয় কুমার ঘোষ।
হানিফ উল্লাহ অভিযোগ করেন, ঘুষ দেয়ার পরও যদি কাজ না হয় তাহলে বুঝতে হবে ওই টাকা বিজয় কুমারের মনভুত হয়নি। আরো টাকা নিয়ে তার কাছে যেতে হবে। কিন্তু তার মনপুত টাকার অংক কয়েক লাখ হওয়ায় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা দিতে পারেন না। যে কারণে তাদের ন্যায্য কাজের ফাইলটিও আটকে রাখেন বিজয় কুমার। দেশে একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট ও প্লটের মালিক ভারত ও বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিক বিজয় কুমার পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতেও বহুতল ভবন করেছেন।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মোরাদ হোসেন মোল্লা বলেন, বিজয় কুমার ঘোষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। সে গুলো তদন্ত করতে উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে কমিটি রিপোর্ট কেন দিচ্ছে না সে বিষয়ে আমিও নিশ্চিত নই। সম্ভবত রিপোর্ট তৈরী করতে বেশি সময় লাগছে। আমরা বিষয়টি গুরত্বের সাথে দেখছি। এধরনের অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]