• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » আবরার লাশ সরিয়ে নেয়ার চাপ দিয়েছিলো ঘাতকরা, বললেন শিক্ষক মিজানুর রহমান


আবরার লাশ সরিয়ে নেয়ার চাপ দিয়েছিলো ঘাতকরা, বললেন শিক্ষক মিজানুর রহমান

আমাদের নতুন সময় : 11/10/2019

শাহানুজ্জামান টিটু : প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে আবরার লাশে পাশে নির্লিপ্ত দুই শিক্ষককে। হত্যাকা-র পর শের-ই-বাংলা হলের প্রভোস্ট জাফর ইকবাল খান এবং ছাত্রকল্যাণের পরিচালক মিজানুর রহমান হলে আসলেও তারা ঘাতকদের সঙ্গে হলগেটে আলাপচারিতায় মগ্ন ছিলেন। এ সময় আবরারকে হাসপাতালে নেয়ার কোনো উদ্যোগ তাদের মধ্যে দেখা যায়নি। এঘটনার পর দুই শিক্ষকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এর জবাবে বুয়েট ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, ৬ অক্টোবর রাত পৌনে ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের প্রাধ্যক্ষ এবং সহকারী প্রাধ্যক্ষ তার বাসায় যান। সহকারী প্রাধ্যক্ষ তাকে জানান, তার হলে একটি মার্ডার হয়েছে। এরপর প্রাধ্যক্ষ এবং সহকারী প্রাধ্যক্ষকে নিয়ে তিনি শের-ই বাংলা হলে যান।
তিনি বলেন, যাদের ছবি দেখাচ্ছ, তারা সবাই ওখানে ছিল। তাদের সঙ্গে আমিও ছিলাম। সাদা পাঞ্জাবি পরা লোকটি ডাক্তার। ডাক্তার আবরারের নাকে, বুকে হাত দিয়ে বলেন, ছেলেটা অনেকক্ষণ আগে মারা গেছে। এ সময় যারা উপস্থিত ছিল, তারা ডাক্তারকে চাপ দেয়, লাশ যেন এখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ডাক্তার জানিয়ে দেন, তার একার পক্ষে এ ডেডবডি (লাশ) নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
মিজানুর রহমান বলেন, ডাক্তার যখন বললেন আবরার মারা গেছে, তখন ছেলেরা আমাদের লাশ সরিয়ে নেয়ার জন্য প্রেসার দিচ্ছিল। আমি বললাম, এটা পুলিশ কেস, আমি লাশ সরাতে পারব না। আমি ভিসিকে ফোন করে বিষয়টি জানালে তিনি পুলিশকে ফোন করতে বলেন। এরপর প্রধান সিকিউরিটি গার্ড আসেন। চকবাজার থানায় খবর দেয়া হয়।
বুয়েটের এই শিক্ষক বলেন, আবরারের ট্রাউজারের একটা অংশ যখন ওঠানো হয়, তখনই বুঝতে পারি আবরারের গায়ে মারের দাগ আছে। পরে লাশ ক্যান্টিনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শরীরের অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ পরীক্ষা করে দেখা হয়। সুরতহাল তৈরি করার সময় হলের প্রাধ্যক্ষ, সহকারী প্রাধ্যক্ষ, ডাক্তারের সঙ্গে আমিও ছিলাম। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]