ওষুধ প্রশাসনের ২ কর্মকর্তার চাকরিতে নিষেধাজ্ঞা বহাল

আমাদের নতুন সময় : 13/10/2019

 

নূর মোহাম্মদ : ভেজাল প্যারাসিটামল সিরাপ খেয়ে ২৮ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় অদক্ষতা ও অযোগ্যতার কারণে শফিকুল ইসলাম ও আলতাফ হোসেনের ওষুধ প্রশাসনে চাকরির ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। গতকাল রোববার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
২০০৯ সালে রিড ফার্মার ভেজাল প্যারাসিটামল সিরাপ খেয়ে সারাদেশে ২৮ শিশুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলার বিচার শেষে ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর পাঁচজনকে খালাস দেন বিচারিক আদালত।
ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছিলেন, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর মামলাটি করার ক্ষেত্রে ১৯৮০ সালের ড্রাগ আইন যথাযথভাবে অনুসরণ করেনি। মামলায় যথাযথভাবে আলামত জব্দ করা, তা রাসায়নিক পরীক্ষাগারে প্রেরণ এবং রাসায়নিক পরীক্ষার প্রতিবেদন আসামিদের দেওয়া হয়নি। এক্ষেত্রে ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক শফিকুল ইসলাম ও আলতাফ হোসেন চরম অবহেলা, অযোগ্যতা ও অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।
নি¤œ আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। আপিল শুনানিতে ওষুধ প্রশাসনের দুই কর্মকর্তার অদক্ষতা ও অযোগ্যতার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জানতে চান হাইকোর্ট। এরপর স্বাস্থ্য সচিবের একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়। এতে বলা হয়-ওই দুই কর্মকর্তাকে সতর্ক করা হয়েছে। তবে ব্যবস্থা না নেওয়ায় ব্যাখ্যা দিতে স্বাস্থ্য সচিবকে তলব করেন হাইকোর্ট। পরে ওই বছরের ২৪ আগস্ট সচিব আদালতকে জানান দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পৃথক আদেশে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম তাদের ‘তিরস্কার’ লঘু দ- দিয়ে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহারসহ বিভাগীয় মামলার দায় হতে অব্যাহতি দেন। এরপর তারা চাকরিতে যোগ দেন। বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে গেলে রুল জারি করে তাদের চাকরির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। তবে তাদের অন্য কোনো দপ্তরে পদায়ন করার বিষয়ে বাধা দেননি আদালত। পরে হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]