‘কর্মক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ নারী যৌন হয়রানীর শিকার’

আমাদের নতুন সময় : 13/10/2019

নূর মোহাম্মদ : যৌন হয়রানী প্রতিরোধে হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়ন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালায় একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে শনিবার এ কথা জানান হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ। সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি ও ল’রিপোর্টার্স ফোরামের উদ্যোগে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহযোগিতা করেন ফেয়ার ওয়্যার ফাউন্ডেশন। বিচারপতি হাসান আরিফ বলেন, দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী। তাদের অধিকার নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমিটি গঠনের বিষয়টি আগে নিজেদের ঘর থেকেই শুরু করতে হবে। নিজের ঘর থেকে শুরু হলে অন্যরাও এগিয়ে আসবে। নারীদের মুখ খুলতে হবে। তারা মুখ খুলতে শুরু করলে যৌন হয়রানি অনেকটাই কমে আসবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, নারীদের প্রতি একধরনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তাকানো হয়। এই দৃষ্টিভঙ্গির কারণে যৌন হয়রানির মনোভব সৃষ্টি হয়। তাই এ দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে। আর অনেক সময় ভিকটিম নিজে হয়রানীর কথা বলতে চায়না। এমনকি তার কোন সহকর্মী বলতে চাইলেও নিরাপত্তার অভাবে সাহস দেখায়না। তাই হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী সাক্ষি সুরক্ষা আইন করার কথা বলেন তিনি।
কর্মশালায় ল’রিপোর্টার্স ফোরামের (এলআরএফ) সাবেক সভাপতি এম. বদি-উজ-জামান বলেন, পাবলিক প্লেসে সচেতনতা বাড়াতে পোস্টারিং করতে হবে। যাতে যৌন হয়রানীর সঙ্গা, শাস্তিসহ এ সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ থাকবে। তিনি বলেন, রায়ে অভিযোগকারী ও অভিযুক্তের নাম প্রকাশ না করার কথা বলা আছে। এক্ষেত্রে গণমাধ্যম ভূমিকা রাখতে চাইলেও অনেক সময় পারেনা। তাই এ অংশ টুকু সংশোধন করা দরকার। এছাড়া হাইকোর্টের রায়ে আইন করার কথা বলা হলেও এখনো তা হয়নি। তাই এ বিষয়ে দ্রুত আইন করার তাগিদ দেন তিনি।
কর্মশালায় হাইকোর্টের রায়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ফাওজিয়া করিম ফিরোজ, স্বাগত বক্তব্য রাখেন এলআরএফ’র সভাপতি ওয়াকিল আহমেদ হিরন, শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান রাজু। সঞ্চালনায় ছিলেন প্রশিক্ষণ ও কল্যাণ সম্পাদক মো. মাসউদুর রহমান। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]