• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » বেতনভুক্ত পরামর্শকের সাইট ভিজিটে সম্মানি ভাতা, আপত্তি পরিকল্পনা কমিশনের


বেতনভুক্ত পরামর্শকের সাইট ভিজিটে সম্মানি ভাতা, আপত্তি পরিকল্পনা কমিশনের

আমাদের নতুন সময় : 13/10/2019

 

সাইদ রিপন : ঢাকা-লক্ষীপুর নৌ-পথের সমস্যা জনিত এলাকায় ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীর নাব্যতা উন্নয়ন করে সারা বছর এ রুটে নিরবিচ্ছিন্ন নৌযান চলাচলের পথ উন্মুক্ত করা হবে। এজন্য “ঢাকা-লক্ষীপুর নৌ-পথের লক্ষীপুর প্রান্তে মেঘনা নদী ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা উন্নয়ন” প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। এ প্রকল্পটির যাচাই-বাছাই শেষে বেতনভুক্ত পরামর্শকের সাইট ভিজিটে সম্মানি ভাতার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন। সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
পরিকল্পনা কমিশনের আপত্তিতে বলা হয়েছে, পরামর্শকের জন্য ৫৫ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু এ ব্যয়ের বিভাজনীতে পরামর্শকেরা বেতন বাবদ ৪৬ লাখ ৫৮ হাজার টাকার হিসাব দেখানো হয়েছে। তাই পরামর্শক বাবদ ব্যয় ডিপিপির বিভাজনের আলোকে প্রস্তাব করা সমীচীন। এছাড়া পরামর্শকের জন্য সাইট ভিজিট বাবদ দৈনিক ভাতা রাখা হয়েছে। যেহেতু পরামর্শকেরা প্রতিমাসে বেতন নিবেন তাই আলাদাভাবে দৈনিক ভাতা রাখা সমীচীন নয়। এছাড়া পরামর্শকের জন্য প্রস্তাবিত বেতন ও জনমাস বিষয়ে আরো পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। প্রকল্পটি গ্রহণের পূর্বে কোন সম্ভাব্যতা সমীক্ষাও সম্পাদন করা হয়নি।
আপত্তিতে আরো বলা হয়েছে, শুধুমাত্র বিআইডব্লিউটিএ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রতিবেদনের আলোকে ডিপিপি প্রণয়ন করেছে। তাই এ প্রকল্পের যৌক্তিকতা এবং উক্ত নদী পথের বর্তমান অবস্থা, মালামাল ও যাত্রী পরিবহন সম্পর্কিত তথ্য যাচাই-বাছাই করার প্রয়োজন আছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি ১২ শতাংশ ডিসকাউন্ট রেট ধরে আয়-ব্যয় বিশ্লেষণে অর্থনৈতিকভবে লাভজনক হলেও আর্থিকভাবে অলাভজনক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রকল্পের উদ্দেশ্য সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া বছরভিত্তিক ব্যয় প্রাক্কলনের ছক সঠিকভাবে প্রণয়ন করা হয়নি। প্রকল্পে ক্যাপিটাল ড্রেজিং এবং সংরক্ষণ ড্রেজিং বাবদ প্রতি ঘনমিটার ১৯০ টাকা হারে প্রস্তাব করা হয়েছে, এ হার যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে।
প্রস্তাবিত ডিপিপি থেকে জানা গেছে, বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী এবং মেঘনার (লেয়ার) উপর দিয়ে ঢাকা থেকে লক্ষীপুর পর্যন্ত নৌ-পথের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪০ কিলোমিটার। এ নৌপথটি চালু হলে যাত্রীরা সড়কপথের তুলনায় কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। বর্তমানে বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদীতে কোন নাব্যতা সংকট নেই। শুধু লক্ষীপুর প্রান্তে নাব্যতা সংকট রয়েছে। লক্ষীপুর সদর উপজেলার শাকচর ইউনিয়নের চর-রমণীমোহন এলাকায় সৃষ্ট চরের কারণে লক্ষীপুর থেকে সরাসরি ভোলা বা ঢাকার দিকে নৌযান চলাচলে ব্যাহত হচ্ছে। এ চরের দক্ষিণ দিকের চ্যানেলে কিছু কম গভীরতার অঞ্চলে খনন করলেই সম্পূর্ণ নৌপথটি চলাচলের উপযোগী করা সম্ভব। প্রকল্পটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা। চলতি বছর থেকে জুন ২০২৩ সারে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]