• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » রাজনৈতিক কারণে ব্যক্তিগত আক্রোশে গ্রেপ্তার হয়েছে সম্র্রাট, প্রধানমন্ত্রীর কাছে মায়ের আকুতি


রাজনৈতিক কারণে ব্যক্তিগত আক্রোশে গ্রেপ্তার হয়েছে সম্র্রাট, প্রধানমন্ত্রীর কাছে মায়ের আকুতি

আমাদের নতুন সময় : 13/10/2019

ইসমাঈল ইমু : আমার ছেলে নির্দোষ, আমার ছেলেকে মুক্তি দিন, ওকে চিকিৎসা করাতে দিন। গতকাল রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ আকুতি জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী স¤্রাটের মা সায়েরা খাতুন। সংবাদ সম্মেলনে মায়ের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন স¤্রাটের বোন ফারহানা চৌধুরী শিরিন। সঙ্গে ছিলেন স¤্রাটের ভাই রাশেদ আহমেদ চৌধুরী।
রাশেদ বলেন, তার উল্লেখ করার মতো কোনো সহায়-সম্পত্তি নেই। নিয়মিত সিঙ্গাপুর যেতেন চিকিৎসার জন্য। রাজনৈতিক কারণে ব্যক্তিগত আক্রোশে গ্রেপ্তার হয়েছেন স¤্রাট। গ্রেপ্তারের আগে বেশ কয়েকদিন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি। গণমাধ্যমে খবর শুনে বিষয়টা জেনেছি। দলের কাছে উন্নত চিকিৎসার জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু কোনো সাহায্য-সহযোগিতা পাইনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গ্রেপ্তারের ১০ দিন আগে থেকে অফিসে ছিলেন না স¤্রাট। অফিস ছিল অরক্ষিত। শরীর খারাপ থাকায় অন্য জায়গায় ছিলেন তিনি। অফিসে মদ, ইয়াবা, পিস্তল কিছুই ছিল না। এটি পরিকল্পিত সাজানো নাটক বলে দাবি করেন স¤্রাটের স্বজনেরা। লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে সায়েরা খাতুন বলেন, আপনি মমতাময়ী জননী, মানবতার মা। স¤্রাট আপনার কর্মী, আপনার সন্তানতুল্য সংগঠনে অনুপ্রবেশকারী নয়। একজন মা হিসেবে আপনার কাছে আবেদন করছি, ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে স¤্রাটকে মুক্ত করে দিন। তার উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিন। আমার সন্তানের জীবন রক্ষা করুন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতিক নির্যাতনে স¤্রাট বহুবার আহত হন। এ কারণে ১৯৯৯ সালে দেবী শেঠির তত্ত্বাবধানে ওপেন হার্ট সার্জারির মাধ্যমে ভাল্ব প্রতিস্থাপন করেন তিনি। তখন থেকেই তিনি অসুস্থ শরীর নিয়ে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এ বছরের ১০ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে ভাল্ব প্রতিস্থাপনের কথা ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে নানা কর্মসূচি থাকায় সেখানে যাওয়া হয়নি। এসময় জানানো হয়, ঢাকা শহরে প্রতিটি ক্লাব পরিচালনার জন্য কমিটি রয়েছে। এগুলো প্রতিবছর ডাক দেওয়া হয়। স¤্রাট কোনো ক্লাবের কমিটিতে ছিলেন না। শুধু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ও ব্যক্তিগত আক্রোশে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে জড়ানো হচ্ছে।
স¤্রাটের স্বজনদের দাবি, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে তার ছয় মাসের সাজা হয়েছে। এ মামলার আদেশ তারা এখনো পাননি। এছাড়া ক্যাঙ্গারু বাংলাদেশি বন্যপ্রাণী নয়। যেহেতু এটা দেশে শিকার হয়নি, তাই এটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের মধ্যে পড়ে না। ওই ক্যাঙ্গারুর চামড়াটি এক প্রবাসী তাকে উপহার দিয়েছেন। তাই এটি সাজার আওতায় পড়বে না। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]