• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » র‌্যাগিং বন্ধে সরকারি দলকেই ভূমিকা রাখতে হবে, বললেন ড. একে আজাদ ড. আনোয়ার হোসেন বললেন, র‌্যাগিং বন্ধের সুবর্ণ সুযোগ এসেছে


র‌্যাগিং বন্ধে সরকারি দলকেই ভূমিকা রাখতে হবে, বললেন ড. একে আজাদ ড. আনোয়ার হোসেন বললেন, র‌্যাগিং বন্ধের সুবর্ণ সুযোগ এসেছে

আমাদের নতুন সময় : 13/10/2019

 


জুয়েল খান : ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. একে আজাদ চৌধুরী বললেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ বিনষ্ট করতে র‌্যাগিং অনেক বড় ভূমিকা রাখছে। এজন্য ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের সদস্যরাই সবচেয়ে বেশি বেপরোয়া আচরণ করে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কথা শোনে না, ফলে তারা নিজেদের দল ভারি করা এবং ক্যাম্পাসে শক্তিশালী হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে নতুন এবং জুনিয়র শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে। অমানবিক আচরণ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একধরনের ভয়ের সৃষ্টি করে। এই ভয়কে কাজে লাগিয়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে। সুতরাং বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাগ-ডে আর র‌্যাগিং এক জিনিস নয়। র‌্যাগিংয়ের আক্ষরিক অর্থ হলো মারপিট, ধমকানো, মাস্তানি করা। এজন্য সরকারকেই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে হবে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্ষমতাসীন সরকারের ছাত্র সংগঠনই সবচেয়ে বেশি র‌্যগিং করে থাকে তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে তোয়াক্কা করে না।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, একজন শিক্ষার্থী যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে নতুন জীবনে পা রাখে তখনই সিনিয়রা তাদের গোলাম বাাননোর চিন্তা থেকে নানাভাবে শক্তি প্রদর্শন করে নিজেদের অবস্থান জানান দেয়। এরই ধারাবাহিকতা বাজায় রাখে সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠনের ছাত্ররা। আর এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে দুর্বৃত্তায়িত ছাত্ররাজনীতি। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেদের ক্ষমতাকে জানান দিতে এবং নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার জন্য বিভিন্নভাবে র‌্যাগ দেয়ার প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠে, এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর সর্বোচ্চ উদাহরণ হচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে বুয়েটে শিক্ষার্থী আবরার হত্যা। র‌্যাগিং বন্ধে সরকার, প্রশাসন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে হবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]