একযুগ পর বাংলার ঘরে নোবেল আনলেন অভিজিৎ ব্যানাজি

আমাদের নতুন সময় : 14/10/2019

 

নূর মাজিদ : চলতি বছর অর্থনীতিতে আরো দুই অর্থনীতিবিদের সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল পুরষ্কার জিতেছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ ব্যানার্জি। ১৯৯৮ সালে সমাজকল্যাণমূলক গবেষণার স্বীকৃতি স্বরূপ প্রথম অর্থনীতির নোবেল ওঠে বাঙালির ঘরে। সে বছর পশ্চিম বাংলার কৃতী সন্তান অমর্ত্য সেন এই পুরষ্কার পান। এর ঠিক আট বছর পরে আবারো নোবেল পান বাংলাদেশের নাগরিক ড. মোহাম্মদ ইউনূস। দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের উদ্ভাবন ও প্রয়োগের মাধ্যমে অবদান রাখায় নোবেল পান তিনি। এর দীর্ঘ এক যুগেও নোবেলের শিঁকে ছেড়েনি বাঙালির ভাগ্যে। কিন্তু গতকাল সুইডিশ রয়্যাল সোসাইটির ঘোষণার মধ্য দিয়ে এই শূন্যতাও পূরণ হলো।
১৯৬১ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার মা নির্মলা ছিলেন সেন্টার ফর সোশ্যাল সায়েন্স এর একজন অর্থনীতির অধ্যাপক। বাবা দীপক ব্যানার্জিও ছিলেন কলকাতার বিখ্যাত প্রেসিডেন্সি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রধান। অভিজিৎ সাউথ পয়েন্ট স্কুল ও প্রেসিডেন্সি কলেজের এই কৃতী বিদ্যার্থী ছিলেন। এরপর ১৯৮১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি নেন। পরিবর্তী সময়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন দিলি¬র জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১৯৮৮ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে পিএইচডি করতে যান। তার পিএইচডি গবেষণা রচনার শিরোনাম ছিলো, অ্যাসেস ইন ইনফরমেশন ইকোনোমিক্স।
৫৮ বছর বয়সী এই অর্থনীতিবিদ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউড অব টেকনোলজিতে বর্তমানে তিনি অধ্যাপনা করছেন। প্রথম স্ত্রী ছিলেন অরূন্ধতী তুলি ব্যানার্জি। প্রথম বিয়ের সূত্রে তিনি এক পুত্র সন্তানেরও জনক। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর ২০১৫ সালে তিনি আরেক সহকর্মী এস্থার ডুফলোর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। অবশ্য এস্থারের সঙ্গে বিয়ের আগেই পরিচয় হয়েছিলো অভিজিতের। ১৯৯৯ সালে এস্থার তার পিএইচডি ডিগ্রির গবেষণা অভিষেকের তত্ত্বাবধানেই করেছিলেন। এস্থার ডুফলোও বর্তমানে এমআইটির দারিদ্র বিমোচন এবং উন্নয়ন গবেষণা বিভাগের একজন শীর্ষ অধ্যাপক। সহকর্মী মাইকেল ক্রেমারসহ তিনিও যৌথভাবে পেয়েছেন চলতি বছরের অর্থনীতি বিজ্ঞানের নোবেল। সম্পাদনা : রমাপ্রসাদ বাবু




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]