• প্রচ্ছদ » » রাজনীতি নিয়ে তখনই আরেকটু কম কম ভাবলেও চলে যখন ন্যূনতম রাজনৈতিক গণতন্ত্রের ভিত্তিটা দেশে কায়েম হয়


রাজনীতি নিয়ে তখনই আরেকটু কম কম ভাবলেও চলে যখন ন্যূনতম রাজনৈতিক গণতন্ত্রের ভিত্তিটা দেশে কায়েম হয়

আমাদের নতুন সময় : 14/10/2019

ফিরোজ আহমেদ

একটা দেশে কতোটা অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিস্থিতি থাকলে আইনি অর্থে সাবালক, নিজের কাজের জন্য দায়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে রাজনীতি করা নিষিদ্ধ করা যায় এবং একটা দেশের রাজনৈতিক বুদ্ধিবৃত্তির কতোটা খামতি থাকলে সেইটার পক্ষে বুদ্ধিজীবী সমাজের একটা বড় অংশ দাঁড়ায়? আমার এক বন্ধু বললেন, কিন্তু দুনিয়ার কোন দেশে প্রকৌশল-পদার্থবিদ্যা-রসায়নবিদ্যার ছেলেমেয়েদেরও রাজনীতি নিয়ে ভাবতে হবে? উত্তরটা সোজা। দুনিয়ার আর কোন কোন দেশে গুÐাতন্ত্র কায়েম আছে? যদি থেকে থাকে, সেখানকার সব ছেলেমেয়েদেরই রাজনীতি নিয়ে ভাবতে হবে, কারণ দেশটা তাদেরই হবে। সবাইকে রাজনীতি নিয়ে তখনই আরেকটু কম কম ভাবলেও চলে যখন ন্যূনতম রাজনৈতিক গণতন্ত্রের ভিত্তিটা দেশে কায়েম হয়, গুÐাতন্ত্রে যেটা হয় না। বুয়েটের রাজনীতি বন্ধের জন্য যেমন আবেদন করেছেন পানিবিদ আইনুন নিশাত, পানি বিষয়ে যার অবস্থান বহুল নিন্দিত, সেই বিশ্বব্যাংকের কুখ্যাত ফ্লাড অ্যাকশন প্রোগ্রামে বাংলাদেশকে জলবন্দি করা থেকে এখনকার ফেনী নদীর পানি অপসারণ পর্যন্ত। আবরার সেই দেশবিরোধী পানি নীতিরও সমালোচনার রাজনীতি মনেপ্রাণে ধারণ করতো। এখন দেখুন, ৮০-৯০ দশকে দেশটাকে যারা বন্যা নিরোধের নামে বহুল সমালোচিত দুর্নীতিকেন্দ্রিক বাঁধের নির্মাণের মচ্ছব চালালো, আজ যারা ফেনী নদীর পানি সরালে ক্ষতি হবে না বলছেন, তাদের রাজনীতি চলবে। কিন্তু তার বিরোধিতার রাজনীতিটা বহু বছর বন্ধ আছে, কারণ বুয়েটের গুÐাতন্ত্র, দেশজুড়ে গুÐাতন্ত্র। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]