৩৪ বছর পর আজ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশ-ভারত লড়াই

আমাদের নতুন সময় : 14/10/2019

 

এল আর বাদল : বিশ্বকাপ আর এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত। কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামের সবুজ গালিচায় ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায়। আজকের ম্যাচটি দুই দলের জন্যই মহাগুরুত্বপূর্ণ। পরের রাউন্ডে যেতে দুই দলের কাছেই জয়ের বিকল্প নেই। ওদিকে আট বছর পর কলকাতায় খেলতে আসছে ভারতীয় দল, ফলে এই ম্যাচ নিয়ে ভারতীয়দের প্রত্যাশাও আকাশচুম্বী। উত্তাল জনসমুদ্রের সামনে বাংলাদেশকে বশ করতে চাইবে স্বাগতিকরা। এশিয়ান কাপ ও বিশ্বকাপের যৌথ বাছাইপর্বে নিজেদের গ্রুপ ‘ই’ তে সবচেয়ে নিচের দুটি অবস্থানে আছে ভারত আর বাংলাদেশ। তলানিতে থাকলেও দুই দলই চাইবে নিজেদের ফুটবলীয় আধিপত্যের কথা বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে। যে দলই জিতুক, তাদের হবে গ্রুপের প্রথম জয়। তবে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ভারত ১০৪ আর বাংলাদেশ রয়েছে ১৮৭ তে। শক্তির বিচারে বলা যায় ভারত এগিয়ে। সল্টলেকে আজ ৮৫ হাজার দর্শকের সামনে লাল-সবুজ দলের সেনারা নিজেদের কীভাবে মেলে ধরেন সেটাই দেখার অপেক্ষায় বাংলাদেশের ফুটবল প্রেমীরা।
বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে দুই দলের এই লড়াইয়ে যেনো ৩৪ বছর আগের স্মৃতি খুঁজে ফিরছে বাংলাদেশ দল। ১৯৮৫ সালে ভারতের সল্টলেক স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরম করেছিলো বাংলাদেশ। নিশ্চিত ড্রর ম্যাচ সেদিন হাতছাড়া হওয়ায় পরবর্তী রাউন্ডে যেতে পারেনি আসলাম-চুন্নুরা। ম্যাচটি হেরেছিলো ২-১ ব্যবধানে। সে দিন আসলাম-চুন্নুরা তুমুল লড়াই আর রোমাঞ্চের রসদ জুগিয়েছিলেন, ঠিক তেমনি এবার মামুনুলরাও চাইছে পুনারাবৃতি ঘটাতে।
১৯৮৬ বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশ আটটি বাছাইপর্ব খেলেছে। কিন্তু সেরা সাফল্য এসেছে তারও আগে। সেটি ১৯৮৫ সালে থাইল্যান্ড এবং ইন্দোনেশিয়াকে হরানোর স্মৃতি। কিন্তু গ্রুপের অন্য প্রতিপক্ষ ভারতকে কখনো হারানো যায়নি। দলটি দুইবার ২-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশকে।
কলকাতায় ভারতের জাতীয় দল খেলতে আসছে ৮ বছর পর। তাই ম্যাচটি ঘিরে সেখানে মানুষের আগ্রহ ব্যাপক। ‘ভারতীয় ফুটবলের মক্কা’ বলে পরিচিত এই শহরে ‘বাংলাদেশ’ নামটি যুক্ত হওয়ায় সাধারণ মানুষের আগ্রহ চলে গেছে অন্য মাত্রায়। চুন্নুদের সেই ম্যাচেও মানুষের এমন আগ্রহ ছিলো। এমনকি অনেক বাঙালি বাংলাদেশকেও সমর্থন করেছিলেন।
বাংলাদেশ দলের মাঝ মাঠের খেলোয়াড় মামুনুল ইসলাম বলেছেন, এবারও আমরা কলকাতাবাসীর সমর্থন পাবো। গতকাল অনুশীলন শেষে তিনি বলেন, কলকাতা মানে আমাদের কাছে আরেকটি বাংলা। মনে হচ্ছে নিজেদের দেশে খেলতে এসেছি। আমি বিশ্বাস করি এখানকার মানুষ আমাদের সমর্থন করবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]