ভক্ততের মিলনে মুখরিত সাঁইজির আখড়াবাড়ি

আমাদের নতুন সময় : 17/10/2019

আব্দুম মুনিব : বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের ১২৯তম তিরোধান দিবস উপলক্ষ্যে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়ীতে শুরু হয়েছে তিনদিন ব্যাপী ঐতিহাসিক লালন স্মরণোৎসব। পহেলা কার্তিক আধ্যাত্মিক সাধক ফকির লালন শাহ্ এই দিনে দেহত্যাগ করেছিলেন। প্রথম দিন গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় আখড়াবাড়ির মূল আঙিনার বাইরে মরা কালীগঙ্গা নদীর তীরে লালন উন্মুক্ত মঞ্চে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উৎসবের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। এরপর সারারাত লালন মঞ্চে চলে সাঁইজির জীবন কর্মনিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এদিকে স্মরণোৎসবে বাউলদের একতারা দ্বোতারা আর ঢোল বাঁশির সুরে ও আধ্যাত্মিক গানে প্রকম্পিত হয়ে উঠেছে লালন আখড়াবাড়ি। লালনের এই তিরোধান দিবস ও দোলপূর্ণিমা উৎসবে যোগ দিতে কারও কোনো দাওয়াত লাগে না, পত্র লাগে না, তবুও মানুষ উদাসী এক টানে এখানে ছুটে আসেন। আসেন দলে-দলে হাজারে হাজারে। এখানে মিলন ঘটে নানা ধর্ম, নানা বর্ণের মানুষের। কেউ আসেন ধব ধবে সাদা পোশাকে। কেউ আবার আসেন গেরুয়া বসনে। সাঁইজির টানে এ ধামে বাউল ছাড়াও অসংখ্য সাধারণ দর্শনার্থীর ভিড় জমে। তারা লালন সঙ্গীতের সুরের মূর্ছনায় মাতিয়ে তোলেন বাউলধাম।
সাংস্কৃতিক মন্ত্রনালয়ের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসন ও লালন একাডেমির আয়োজনে প্রতিবারের মত এবারও আধ্যাত্মিক গুরু ফকির লালনকে স্মরণ ও তার দর্শন পাওয়াসহ অচেনাকে চেনা, জ্ঞাণ সঞ্চয়, আত্মার শুদ্ধি ও মুক্তির লক্ষে দেশ-বিদেশের হাজারো লালন অনুসারী, ভক্ত অনুরাগী আর দর্শনার্থীরা এখন এই আখড়াবাড়িতে অবস্থান নিয়েছে। আখড়াবাড়ী চত্বরে কালী নদীর তীরে বিশাল মাঠে জমে উঠেছে লালন মেলা। লালন উৎসব শেষ হবে শুক্রবার রাতে। সম্পাদনা : মুরাদ হাসান, ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]