• প্রচ্ছদ » সাবলিড » গ্রামীণ ও রবিতে প্রশাসক নিয়োগের অনুমোদন মন্ত্রণালয়ের কোম্পানি দুটির খুটিনাটি বিষয় বিবেচনা করছে বিটিআরসি


গ্রামীণ ও রবিতে প্রশাসক নিয়োগের অনুমোদন মন্ত্রণালয়ের কোম্পানি দুটির খুটিনাটি বিষয় বিবেচনা করছে বিটিআরসি

আমাদের নতুন সময় : 18/10/2019

বিশ্বজিৎ দত্ত : মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবিতে প্রশাসক নিয়োগের জন্য অনুমোদন দিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। গতকাল এই অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। গ্রামীণ ফোনের কাছে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি ও রবির কাছে ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা বকেয়া আদায় করতে প্রশাসক নিয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, অর্থমন্ত্রী আহম মোস্তফা কামাল গ্রামীণ- রবিও ও টেলিফোন রেগুলেটরি কমিশনের মধ্যে একটি সমঝোতা বৈঠকের উদ্যোগ নেন। কিন্তু ৩ সপ্তাহের মধ্যেও এর সমঝোতা না হওয়ায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় প্রশাসক নিয়োগের অনুমোদন দেয়।
এ বিষয়ে বিটিআরসির একজন কর্মকর্তা জানান, মন্ত্রণালয় বিটিআরসিকে প্রশাসক নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে। আমরা এখন বিষয়টির নানা দিক দেখবো। প্রশাসক নিয়োগ হলে কোম্পানি গুলোর পরিচালনা পরিষদ থাকবে কি না এবিষয়টিও বিবেচনা করা হবে। গ্রামীণ ফোন শেয়ারবাজারে তালিকাভ’ক্ত কোম্পানি সেখানে শেয়ার হোল্ডারদের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।
মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, বিটিআরসি মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। আমরা অনুমোদন দিয়েছি। এখন বিটিআরসি ঠিক করবে প্রশাসক বা রিসিভার হিসেবে কাকে নিয়োগ দেবে, কীভাবে নিয়োগ দেবে, প্রশাসকের কোনও সহযোগী থাকবে কিনা ইত্যাদি বিষয়।
উল্লেখ্য, গ্রামীণ ও রবির কাছে বকেয়া পাওনার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা পায় এনবিআর। এই বকেয়ার ১ হাজার কোটি টাকা কর বিভাগের আর ৪ হাজার কোটি টাকা ভ্যাট বিভাগের। বাকি ৮ হাজার কোটি টাকার মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশই অর্থই সুদ হিসাবে রয়েছে। বিটিআরসি, প্রতি বছরই গ্রামীণ ও রবির অডিট রিপোর্ট গ্রহণ করে। কিন্তু গত বছর প্রথমবারের বিটিআরসি টেলিফোন কোম্পানিগুলোর তরঙ্গ অডিট করে। সেই অডিটের ফল হিসাবেই নতুন বকেয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গ্রামীণফোন ও রবির সর্বশেষ অডিটের পরে এই ডিমান্ড লেটার পাঠানো হয়েছে। কিন্তু দুই সপ্তাহের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করায় বিটিআরসি গত ৪ জুলাই অপারেটর দুটির ব্যান্ডউইথ সীমিত করে দেয়। এরপর এই আদেশ প্রত্যাহার করে এনওসি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) দেওয়া বন্ধ করা হয়। এরপরও অপারেটর দুটি সমস্যা সমাধানে কোনও উদ্যোগ না নেওয়ায় গত ৫ সেপ্টেম্বর কেন অপারেটর দুটির লাইসেন্স বাতিল হবে না তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শাও নোটিশ পাঠায় বিটিআরসি। এরপরই আসে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]