• প্রচ্ছদ » » জনবহুল ঢাকা শহরে মেট্রোরেলের সুফল অবশ্যই পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ অধ্যাপক নজরুল ইসলামের


জনবহুল ঢাকা শহরে মেট্রোরেলের সুফল অবশ্যই পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ অধ্যাপক নজরুল ইসলামের

আমাদের নতুন সময় : 18/10/2019

আমিরুল ইসলাম : রাজধানী শহর ঢাকাকে বিশ^মানের শহরে উন্নীত করতে ৯৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে হচ্ছে নতুন দুটি মেট্রোরেল। এই মেট্রোরেল শহরবাসীর জন্য সুফল বয়ে নিয়ে আসবে কিনা জানতে চাইলে নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, তিন কোটি জনসংখ্যার শহরে এমআরটি ছাড়া কোনো বিকল্প গণপরিবহণ হতেই পারে না। মেট্রোরেল হওয়া অত্যন্ত জরুরি। এর সুফল অবশ্যই পাওয়া যাবে, কুফল বলে এখানে কিছু নেই। এর বাস্তবায়ন খুব কঠিন এবং উচ্চ ব্যয় সম্পন্ন। প্রয়োজনে খরচ যেটা হওয়ার সেটাই হবে, কিন্তু অপব্যয় যেন না হয়। এর মধ্যে যেন কোনো রকমের অপব্যায় এবং দুর্নীতির সুযোগ না থাকে। এর জন্য সময়ই যাই লাগুক না কেন, শেষ পর্যন্ত আমরা এর সুফল পাবো। আধুনিক এবং অত্যন্তজনবহুল শহরের জন্য এটা অতি আবশ্যক। এবারের মেট্রোরেল উড়ালও হবে পাতালও হবে বলে চিন্তা করা হচ্ছে। বিআরটি হবে মাটির উপর দিয়ে। এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে, কমিউটার ট্রেন, সার্কুলার সড়কের পরিকল্পনা রিভাইসড এসটিপিতে দেয়া আছে।
তিনি আরও বলেন, এটা নতুন চিন্তা নয়,২০০৬ সালে কৌশলগত পবিবহন পরিকল্পনা (এসটিপি) সম্পন্ন করা হয়। সেটা তৎকালীন মেয়র সাদেক হোসেন খোকা সাহেবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সেখানেই ছিলো যে ঢাকায় গণপরিবহন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। তার মধ্যে বড় সুপারিশ ছিলো ছয়টি এমআরটি বা মেট্রোলাইন এবং চারটি বাস র‌্যাপিড ট্রান্সজিট বা বিআরটি। সেটা বিএনপির সময় অনুমোদন পায়নি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার অনুমোদন দিলেও বাস্তবায়নের সুযোগ ছিলো না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটা পুনরায় অনুমোদন দিয়েছে এবং সেই ধারাতেই চলছে। এসটিপি আবার রিভাইসড এসটিপি হয়েছে। এখানেও আছে মেট্রোলাইন ছয়টি, বিআরটি চারটি। সার্বিক বিবেচনায় পরিবহনের সমস্যাগুলো পর্যালোচনা করে সরকারের একটা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন পর্যালোচনা কমিটি এর সুপারিশ করেছে। সেই অনুযায়ী কাজ এগোচ্ছে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]