ক্যাসিনো সাঈদ রাশিয়ায়

আমাদের নতুন সময় : 19/10/2019

ইসমাঈল ইমু : ক্যাসিনো কান্ডে আলোচিত ও সদ্য অপসারনকৃত কাউন্সিলর মোমিনুল হক সাঈদ সিঙ্গাপুর থেকে রাশিয়া চলে গেছেন। দেশে তার টাকা-পয়সার হিসাব রাখছেন তার সহযোগি রশিদ শিকদার। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, ক্যাসিনো অভিযান শুরুর আগেই দেশ ছাড়েন সাঈদ ও তার সহযোগি রশিদ শিকদার। রশিদ শিকদার দেশে ফিরলেও আমেরিকা থেকে যান সাঈদ। অভিযানের খবর পেয়ে সেখান থেকে থাইল্যান্ড পরে সিঙ্গাপুর পাড়ি জামান সাঈদ। অভিযোগ রয়েছে, মোহামেডান ক্লাবের সদস্য না হয়েও ডাইরেক্টর ইনচার্জ লোকমান ভূঁইয়াকে এক কোটি টাকা দিয়ে হকির কাউন্সিলরশিপ কিনেছিলেন সাঈদ। র‌্যাবের অভিযান শুরু হওয়ার পর সাঈদের সঙ্গে অধিকাংশ কর্মকর্তা ক্লাব ছেড়ে ভেগে গেছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় রিপোর্ট হলে সাঈদের পক্ষে প্রতিবাদ পাঠিয়েছিলেন হকি ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুর রশিদ শিকদার। ফেডারেশনের প্যাডে পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে রশিদ শিকদার দাবি করেছিলেন, সাঈদ পলাতক নন।
এদিকে দেশে ফিরে বিপাকে পড়েন রশিদ শিকদার। সাঈদের রাশিয়া যাওয়ার সকল খরচ বহন করেছেন তিনি। পুরনো ঢাকার একটি ক্লাব নিয়ন্ত্রণে ছিল রশিদের। সেখানে ক্যাসিনো চলতো। তবে অভিযান শুরুর পর ওই ক্লাব থেকে ক্যাসিনো সরঞ্জাম সরিয়ে ফেলায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তল্লাশীতে কিছু পাওয়া যায়নি।
অপরদিকে রশিদ শিকদারের নানা অপকর্ম ও দুর্নীতি তদন্ত করতে তার নিজ এলাকা মুন্সীগঞ্জের সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে দুদকে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, লৌহজং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রশিদ শিকদার এক সময়ে বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। তার ভাই বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, চাচা মালেক শিকদার লৌহজং থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক। বর্তমানে তিনি আওয়ামীলীগের হয়ে বেলতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। রশিদক শিকদার স্থানীয় বিএনপির লোকদের নিয়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করানোসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতুত্ব পর্যায়ে বসাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে যা স্থানীয় সংসদ সদস্যও অবগত রয়েছেন। এ বিষয়ে রশিদ শিকদারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ব্যস্ত বলে লাইন কেটে দেন। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]