চিন্তার বিনিময়ে খাদ্যের প্রস্তাব নোবেল বিজয়ীদের

আমাদের নতুন সময় : 19/10/2019

সাইফুর রহমান : অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারটি সাহিত্য বা শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের মতো তেমন আগ্রহ সৃষ্টি করে না। তবে তা কেবল আলফ্রেড নোবেলের পুরস্কার তালিকায় না থাকার জন্য নয়। এটি মূলত অনেকটা গালভারী এবং অর্থনৈতিক তত্ত্ব সংশ্লিষ্ট হওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছে তাৎক্ষনিকভাবে বোধগম্য হয় না। কিন্তু এবছরের ঘটনাটা কিছুটা ব্যতিক্রম। এবার তিনজন যৌথভাবে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বিশ্বের দারিদ্র বিমোচনে তাদের অভিনব চিন্তা এবং দৃষ্টিভঙ্গির কারণে। সাউথ চায়না মর্নিং পোষ্ট।
দারিদ্য দূরীকরণের প্রচলিত কঠিন কঠিন চিন্তাভাবনাকে মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে সহজতর করে তোলার জন্য ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক অভিজিত ব্যানার্জি, তার ফরাসী বংশোদ্ভূত মার্কিন স্ত্রী এসথার ডুফলো এবং মার্কিন নাগরিক মাইকেল ক্রেমারকে এই সম্মানে ভূষিত করে নোবেল কমিটি। তাদের এই কার্যক্রম পূর্বসূরী টমাস স্কেলিং এবং রবার্ট অম্যানের মতো প্রচলিত ধারায় নয়। তবে কয়েকটি দরিদ্র দেশে তাদের চিন্তাভাবনা প্রয়োগ করে তারা মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সক্ষম হয়েছেন। তাদের গবেষণায় দেখানো পথে ভারতের ৫ কোটি শিশু উপকৃত হয়েছে বলেও বলা হয়েছে।
বিশ্বে দারিদ্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাদের দেখানো পন্থাটি বেশ উৎসাহব্যঞ্জক। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এনিয়ে তারা ৮০টি পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচীতে কেবল পেটভরা খাদ্যের যোগান না দিয়ে বা শুধুমাত্র ক্যালরির ব্যবস্থা না করে এখানে পুষ্টিকর খাদ্যের ব্যবস্থা করার উপর জোর দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ঘটাতে পারে এমন তথ্যনির্ভর শিক্ষার উপরও গুরুত্বারোপ করেছেন তারা। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]