• প্রচ্ছদ » সাবলিড » ফেসবুক বাকস্বাধীনতার পঞ্চম স্তম্ভ, বললেন মার্ক জুকারবার্গ


ফেসবুক বাকস্বাধীনতার পঞ্চম স্তম্ভ, বললেন মার্ক জুকারবার্গ

আমাদের নতুন সময় : 20/10/2019

নূর মাজিদ : রাজনৈতিক পক্ষালম্বন, ভোক্তাদের তথ্যচুরি, নির্দিষ্ট অধিকার আন্দোলনগুলোর পোস্ট সরিয়ে ফেলাসহ নানা অভিযোগে বিগত কয়েক বছর ধরেই বিশ্ব গণমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হয় ফেসবুক। বিশ্বের শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে মার্কিন কংগ্রেস এবং ইউরোপীয় কমিশনের কাছেও নিকট অতীতে জবানবন্দি দিয়েছেন এর প্রতিষ্ঠাতা ও শীর্ষ নির্বাহী মার্ক জুকারবার্গ। কিন্তু গত বৃহ¯পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে দেয়া এক ভাষণে তিনি ফেসবুকের মতো বিকল্প মত প্রকাশের অনলাইন গণমাধ্যমের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন। তার দাবি, সারা বিশ্বের প্রচলিত গণমাধ্যমে মুক্তমত প্রকাশের অধিকার যখন ক্রমশ সীমিত হয়ে পড়ছে, ঠিক তখনই তা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে ফেসবুক। ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতার দিক থেকে ফেসবুককে তিনি ‘পঞ্চম শক্তি’ বলেও অভিহিত করেন। খবর : দ্য গার্ডিয়ান, রয়টার্স।
মার্কিন সংবিধানের প্রথম অনুচ্ছেদ তথা গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষার অঙ্গীকার ও এই অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের দিকে তিনি বারবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সামাজিক গণমাধ্যমের অবদান দৃঢ় সমর্থন করে ফেসবুক নির্বাহী বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আজ অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ অনলাইনের বাক-স্বাধীনতা। বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপনের এই প¬াটফর্মগুলোকে তাই বন্ধ করা উচিৎ নয়। মুক্তচিন্তা প্রসারে নিজ প্রেরণা হিসেবে এসময় তিনি ফ্রেডরিখ ডগলাস এবং মার্টিন লুথ্যার কিংয়ের কথা উলে¬খ করেন। যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীর ওপর পুলিশি হামলা এবং নির্যাতন বন্ধের আন্দোলন ব¬্যাক লাইফ মেটার্সকেও সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম পথিকৃৎ বলে অবহিত করেন।
বিতর্কিত রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনে ফেসবুকের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনও মতপ্রকাশের অন্যতম পদ্ধতি। স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনী প্রার্থীরা এই সুযোগটা ফেসবুকের কল্যাণেই পান। কারণ, মূলধারার প্রচলিত গণমাধ্যম তাদের দৃষ্টিভঙ্গি, নির্বাচনী অঙ্গীকার এবং অন্যান্য ইস্যু তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়। সম্পাদনা : রমাপ্রসাদ বাবু




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]