ভাসানচরে যেতে রাজি সাড়ে চারশ রোহিঙ্গা পরিবার

আমাদের নতুন সময় : 20/10/2019

 

ফরহাদ আমিন : এসব পরিবারগুলোর তালিকা পাওয়ার কথা শনিবার রাতে স্বীকার করেছেন কক্সবাজারের শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মাহাবুব আলম তালুকদার।
তিনি বলেন, ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের প্রাথমিকভাবে তালিকা জমা নেয়া হচ্ছে। সেটি এখনও চলমান রয়েছেন। বাংলাদেশের জন্য এটা অত্যন্ত ভালো দিক, যে তারা স্বেচ্ছায় সেখানে যাওয়ার জন্য সম্মতি জানাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কতজন তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। তবে আমাদের লক্ষ্য রয়েছে এক লাখ রোহিঙ্গা ভাসানচর নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, ভাসানচর রোহিঙ্গাদের কাছে ঠেঙ্গারচর নামে পরিচিত, এ দ্বীপে যেতে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে এখন বেশ সম্মতি পাওয়া যাচ্ছে। এটি অবশ্যই ভালো লক্ষণ। তবে যে তালিকা হাতে পেয়েছি সেটি এখনও চূড়ান্ত নয়। এখন পযন্ত টেকনাফের শালবাগান ২৬ নম্বর থেকে ১০২ পরিবার ও জাদিমোরা ২৭ নম্বর থেকে ৩৫০ পরিবারর তালিকা পাওয়া গেছে। এরমধ্যে সবগুলো শিবিরের রোহিঙ্গা নেতাদের (মাঝি) মাধ্যমে কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের একটি করে ফরম দেয়া হয়েছে। যার ওপরে লেখা ছিল ‘ভাসানচরে স্থানান্তরে আগ্রহী বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের তালিকা’। ফরমে ছয়টি তথ্যর ঘর রয়েছে।
শালবাগান রোহিঙ্গা শরণাথী শিবিরে দলনেতা (মাঝি) রমিদা বেগম ও জাদিমোরার নবী হোসেন বলেন, বেশ কিছু পরিবার ভাসানচরে যেতে ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি রোহিঙ্গা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তবে ভাসানচরে উন্নত আবাসস্থল থাকার বিষয়টি রোহিঙ্গাদের ভালো করে বোঝানো গেলে সেখানে যেতে ইচ্ছুকদের পরিমাণ আরও বাড়বে।
শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের প্রতিনিধি জাদিমোরার খালেদ হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নিয়ে যেতে সরকার আগে থেকেই কাজ করে আসছিলো। কেউ স্বেচ্ছায় রাজি না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে এতো দিন অগ্রগামী হয়নি। যেহেতু এবার রোহিঙ্গারা নিজে থেকেই সেখানে যেতে ইচ্ছে প্রকাশ করছে, তাই গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। সম্পাদনা : মুরাদ হাসান, খালিদ আহমেদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]