স¤্রাটের ‘গডফাদারদের’ খোঁজ খবর নিচ্ছে গোয়েন্দারা

আমাদের নতুন সময় : 20/10/2019

 

ইসমাঈল ইমু : যুবলীগ থেকে বহিষ্কৃত ইসমাইল হোসেন চৌধুরী স¤্রাটকে জিজ্ঞাসাবাদে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের তেমন কোনো বেগ পেতে হচ্ছে না। তাকে জিজ্ঞাসা করলেই অকপটে সব বলে দিচ্ছেন। স¤্রাটকে জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গোয়েন্দা জিজ্ঞাসাবাদে স¤্রাট যেসব গডফাদারের নাম বলেছেন, তাদের নাম যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও জি কে শামীমও বলেছেন। তাদের বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছে গোয়েন্দারা। শিগগিরই তাদের আইনের আওতায় এনে স¤্রাটের মুখোমুখি করা হবে।
এছাড়া গোয়েন্দা জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিদেশে অর্থপাচারের পাশাপাশি অবৈধ সম্পদের বিষয়ে অনেক তথ্য দিয়েছেন। এগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রমাণ সংগ্রহ করছেন গোয়েন্দারা। প্রমাণ পেলেই তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করা হবে। বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে স¤্রাট গোয়েন্দাদের বলেছেন, চলমান শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর তার ধারণা ছিল তিনি সব ‘ম্যানেজ’ করতে পারবেন। এ বিষয়ে তার আত্মবিশ্বাসও ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন স¤্রাট।
এদিকে ক্যাসিনোকান্ডে ৪৩ গডফাদারের দেশ-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরইমধ্যে মালয়েশিয়ায় যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী স¤্রাটের ফ্ল্যাট ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সুনির্দিষ্ট তথ্য মিলেছে।
গত ১৮ অক্টোবর ক্যাসিনো, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মে জড়িত থাকার ঘটনায় খালেদ মাহমুদ গ্রেপ্তার হন। ২০ অক্টোবর চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন জি কে শামীম। এ দু’জনকে গ্রেপ্তারের পর ব্যাপক আলোচনায় আসে স¤্রাটের নাম। ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সহযোগী আরমানসহ স¤্রাটকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। ৭ অক্টোবর র‌্যাব-১ এর ডিএডি আবদুল খালেক বাদী হয়ে রমনা থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে এ দুটি মামলা করেন। দুই মামলায় আসামিদের আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়। আদালত স¤্রাটকে ১০ দিনের এবং আরমানের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সম্পাদনা: শাহিদ আবেদীন মিন্টু




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]