• প্রচ্ছদ » » সিভিল লিবার্টি অ্যাক্টিভিস্টরা কীভাবে নীরব থাকেন তা জানা আমাদের অনেক বড় কৌত‚হল


সিভিল লিবার্টি অ্যাক্টিভিস্টরা কীভাবে নীরব থাকেন তা জানা আমাদের অনেক বড় কৌত‚হল

আমাদের নতুন সময় : 20/10/2019

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

বাংলাদেশেও সরকার সন্ত্রাস বা জঙ্গি দমন করতে গিয়ে প্রচÐভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। সরকারবিরোধীদের কথা বলতে না দেয়া বা বলতে দিলেও মামলা-হামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। গুম, খুন বা ক্রসফায়ার তো অতি মামুলি ব্যাপার। ভিন্নমত পোষণকারীদের প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়। প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল এর প্রতিবাদ করতে গেলে সরকার রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র খোঁজে। সরকারের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করলেই সরকার তাদের সন্ত্রাসী বা জঙ্গি বা সন্ত্রাস বা জঙ্গির উসকানিদাতা বলে সরকার ভিন্ন মতাবলম্বীদের উপর মরণ কামড় দিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাই এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমরা ‘সন্ত্রাসী বা জঙ্গিী’ কাদেরকে বলবো। তার আগে ভাবুন, অস্ত্র কাদের হাতে থাকে? রাষ্ট্রের হাতে থাকে। সব অত্যাধুনিক অস্ত্র রাষ্ট্রের হাতে থাকে যা সরকার নিয়ন্ত্রণ করে এবং সরকারের চেয়ে শক্তিশালী আর কেউ নেই। আর এসব অস্ত্রই রাষ্ট্র ব্যবহার করে থাকে এই রাষ্ট্র সিস্টেমটার অস্তিত্ত¡ টিঁকিয়ে রাখতে। যারা এই সিস্টেম মানবে না তাদের বিরুদ্ধেই নির্বিচারে এসব অস্ত্রের প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। এমনকি মেরে ফেলাও সরকারের পক্ষে কোনো ব্যাপার নয়Ñ সরকারি বাহিনীর হাতে ফেক বা সাজানো এনকাউন্টার তো প্রতিনিয়ত হচ্ছে। কিন্তু একটা সময় মানুষও যখন পাল্টা রুখে দাঁড়ায়, আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নেয় তখনই সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদের প্রশ্নগুলো উঠে।দুজন সশস্ত্র যোদ্ধার মধ্যে লড়াইটা তবু বুঝলাম, কিন্তু যখন একজন নিরস্ত্র মানুষকে কাস্টডিতে নিয়ে টর্চার করে মেরে ফেলা হচ্ছে কিংবা নিরস্ত্র গ্রামবাসী বা কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের উপর নির্যাতন করা হচ্ছে তখন সিভিল লিবার্টি অ্যাক্টিভিস্টরা কীভাবে নীরব থাকেন তা জানা আমাদের অনেক বড় কৌত‚হল। সাধারণ মানুষকে সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এবং আইনের প্রয়োগ অপব্যবহার করে আইনি সহায়তা বা আইনের রক্ষাকবচ থেকে বঞ্চিত করা হয় তখন রাজনৈতিক দলগুলোর করণীয় বা কর্তব্য কি হয় তা জানতেও জনগণ উদগ্রীব। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]