কাউন্সিলর রাজীবের লেনদেনের আলামত উধাও

আমাদের নতুন সময় : 21/10/2019

সুজন কৈরী : সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগে গ্রেপ্তার ডিএনসিসির ৩৩ নম্বর ওয়র্ড কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীবের বাসা ও অফিস তল্লাশি করে তেমন কিছুই পাননি র‌্যাব সদস্যরা। আগে থেকেই সতর্ক থাকায় রাজীব তার আর্থিক লেনদেনের আলামত সরিয়ে ফেলেছেন ধারণা র‌্যাবের। তবে অভিযানকালে রাজীবের মোহাম্মদপুরের বাসার সব আলামত ধ্বংস ও কাজে অসহযোগিতার দায়ে তার পিও সাদেককে ৩ মাসের কারাদ- দিয়েছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
গত শনিবার রাতে কাউন্সিলর রাজীবকে আটকের পর মোহাম্মদপুরে তার বাসা ও কার্যালয়ে রাতভর তল্লাশি চালায় র‌্যাব। অভিযান চালানো শেষে র‌্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম সাংবাদিকদের বলেন, রাজীবের মোহাম্মদপুরের বাসা এবং অফিসে তল্লাশি করে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। আমরা বুঝতে পেরেছি তার বাড়িতে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত যেসব ডকুমেন্ট ছিলো সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে তারই একজন সহযোগীর আত্মীয়ের বাড়ি থেকে একটি চেকবই উদ্ধার করা হয়েছে। বইটিতে দেখা গেছে, ব্র্যাক ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্টে একদিনে (টাকা জমা দেয়ার তিনটি রশিদের মাধ্যমে) পাঁচ কোটি টাকা জমা দেয়া হয়েছে। আমরা এগুলো তদন্ত করে দেখছি, কোথায় টাকা জমা দিয়েছেন, টাকাগুলো কোথায় নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তার অর্জিত আয়ের উৎস এবং অর্থ পাচারের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন এবং এই অর্থ তিনি কোথায় খরচ করেছেন দেখা হবে। যদি এখানে মানিলন্ডারিংয়ের কোনো বিষয় থাকে তবে তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।
র‌্যাবের এই ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, তার যে একটি রাজকীয় বাড়ি রয়েছে এ বাড়িটির বাজার মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা। বাড়ির আসবাবপত্র থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি জিনিস বিদেশ থেকে আমদানি করা। এসব সম্পদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বলে আমাদের মনে হয়েছে। তিনি বলেন, কাউন্সিলর হওয়ার আগ পর্যন্ত তার দৃশ্যমান কোনো ধরনের ব্যবসা বা পেশা ছিল না। বর্তমানে সিটি করপোরেশন থেকে পাওয়া সম্মানীই একমাত্র তার প্রধান আয়। এছাড়া অবৈধ লেনদেনের বিষয়গুলো তদন্ত সাপেক্ষে বেরিয়ে আসবে। সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]