• প্রচ্ছদ » » কেন আমরা ব্যাটারিচালিত রিকশা উচ্ছেদের বিপক্ষে


কেন আমরা ব্যাটারিচালিত রিকশা উচ্ছেদের বিপক্ষে

আমাদের নতুন সময় : 21/10/2019

মনোজ দাশ

পাচালিত রিকশার পরিবর্তে দরিদ্র মানুষ তাদের কষ্টার্জিত জমানো টাকা বা লোন নিয়ে রিকশায় ব্যাটারি লাগিয়ে তাদের অমানবিক পরিশ্রম কিছুটা লাঘব করেছে। ২. উচ্ছেদের ফলে এ সেক্টরে নিয়োজিত শ্রমজীবী মানুষের জীবন-জীবিকা চরম অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ৩.সারাদেশে পাচালিত, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় সাতচল্লিশ লাখ। তাদের পরিবার-পরিজন যোগ করলে আড়াই কোটি মানুুষ এ সেক্টরের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। এ সেক্টর প্রতি বছর প্রায় এক লাখ কোটি টাকার মতো লেনদেনের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখে। একদিকে তারা শহরের অর্থনীতিকে সচল রাখতে সহায়তা করছে, অন্যদিকে তাদের পাঠানো টাকায় কৃষিসহ গ্রামীণ অর্থনীতি সচল থাকছে। বিকল্প কর্মসংস্থান ছাড়া এটা বন্ধ করা অযৌক্তিক ও অমানবিক। ৪. শহরের মধ্যে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি ও নৈরাজ্য তৈরি হয়েছে। ৫. বহুদিন অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পরও উপযুক্ত নকশা ও ব্রেক পদ্ধতি চালু না করতে পারার দায় সরকারের, শ্রমজীবীদের নয়। ৬.একটি ব্যাটারিচালিত রিকশা সারাদিন চালাতে মাত্র দেড় ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়, আর দুই টনের একটি এসি চালাতে প্রতি ঘণ্টায় তিন ইউনিট বিদ্যুৎ লাগে। ব্যাটারিচালিত রিকশা অনেক বিদ্যুৎ খরচ করে এটাও ঠিক নয়। ৭. শোনা যায় একতরফা ব্যবসা করার জন্য ভারত-চীন থেকে নতুন মডেলের রিকশা আনার প্রক্রিয়া চলছে। তার দু’একটি ইতোমধ্যে এসেছে। এগুলো আমাদের অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়া শহরগুলোর জন্য একেবারেই উপযুক্ত নয়। ৮. আওয়ামী লীগ খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তাদের ইশতেহারের ১৯নং পয়েন্টে বর্তমান ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের লাইসেন্স প্রদানের প্রতিশ্রæতি দিয়েছিলো। তাই আমাদের দেশের বর্তমান মডেলের ব্যটারিচালিত রিকশাকে লাইসেন্স দিতে হবে। দেশের মধ্যেই প্রতিটি শহরের ট্রাডিশনাল কারিগর দ্বারা নতুন মডেলের রিকশা তৈরির অনুমতি দিতে হবে। এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই পুরনো প্রযুক্তির জায়গায় নতুন প্রযুক্তি একসময় জায়গা করে নেবে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]