• প্রচ্ছদ » » ভোলার বোরহানউদ্দিনে পরিকল্পিতভাবে দাঙ্গা সৃষ্টিতে জামায়াত-শিবিরের চক্রান্ত!


ভোলার বোরহানউদ্দিনে পরিকল্পিতভাবে দাঙ্গা সৃষ্টিতে জামায়াত-শিবিরের চক্রান্ত!

আমাদের নতুন সময় : 21/10/2019

সুলতান মির্জা

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি। ফেসবুকের মেসেঞ্জারে ধর্ম নিয়ে কটুক্তি করা হয়েছে এমন বানোয়াট দাবি করে শিবির কর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় উস্কানি দেয়া শুরু করে। লা মাজহাবি মানে বিনোদন গ্রæপের এক জামাতি এডমিনের দ্বারা এবং পরবর্তীতে জামায়াত-শিবির সমর্থক গোষ্ঠী ও কোটা সংস্কার চাই (বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ) গ্রæপ থেকে ভাইরাল করা হয়। অথচ অভিযুক্ত বিপ্লব বিশ্বাস শনিবার তার নামে অপপ্রচারের জন্য থানায় গেলে তাকে আটক করে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ। এই ঘটনার জেরে রবিবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে বোরহানউদ্দিন থানা ঘেরাও করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে।
খুব সহজ প্রশ্ন : ১। শুধু অভিযোগের প্রেক্ষিতে কেমন বিচার চায়? ২। আপনার নামে যদি আইডি খুলে কেউ কটুক্তি করে তার দায়ভার কি আপনার? ৩। মানুষ দাবি তোলে গ্রেফতারের। যে আটক অবস্থায় আছে তাকে কি থানায় হামলা করে হত্যা করতে হবে? থানায় হামলা করলে পুলিশ চুপ থাকবে? এটা কোন ইসলাম? পরিকল্পিতভাবে যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের মধ্যে মামুন, সোহরাব হোসেন, মশিউর, সুলতান মো. শওকত আলী, হাসান আল বান্না অন্যতম। জামায়াত শিবির ও কওমী মাদ্রাসার শিবির কর্মিরা সা¤প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করতে এ অরাজকতা সৃষ্টি করেছে এবং এখনো তা ছড়িয়ে দেয়ার অপচেষ্টা অব্যহত রেখেছে। কোটা সংস্কার, লা মাজহাবি মানেই বিনোদন ও জামায়াত-শিবির সমর্থক গ্রæপ বন্ধ করাসহ এই গ্রæপের এডমিনদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। কথিত ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদকে সন্ত্রাসী তৎপরতায় ইন্ধনের জন্য নিষিদ্ধ ও ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় না আনলে দেশে ভয়াবহ দাঙ্গা হতে পারে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]