• প্রচ্ছদ » » মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হয়েও জেনারেল ওসমানী কেন হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সেই ঐতিহাসিক ক্ষণে উপস্থিত ছিলেন না?


মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হয়েও জেনারেল ওসমানী কেন হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সেই ঐতিহাসিক ক্ষণে উপস্থিত ছিলেন না?

আমাদের নতুন সময় : 21/10/2019

হাসান বিন বাংলা

অনেকেরই জিজ্ঞাসা যে, মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হয়েও জেনারেল ওসমানী কেন হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সেই ঐতিহাসিক ক্ষণে উপস্থিত হলেন না? প্রাকৃতজনের (আমজনতার) ধারণা, তাকে ইচ্ছা করেই সেখানে যেতে দেয়া হয়নি এবং তা ভারত সরকারের স্বার্থে। কিন্তু এই তথ্য বা ধারণা সঠিক নয়। কেননা প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সঙ্গে মিসেস ইন্দিরা গান্ধীজির বেশ কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে এই আত্মসমর্পণ নিয়ে। তাজউদ্দীন আহমদ সাহেবের দাবি ছিলো, সরাসরি মুক্তিবাহিনীর কাছেই পাকিস্তানি বাহিনীর সারেন্ডার করতে হবে। সেই আলোচনায় ওসমানী স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, উক্ত আলোচনায় ওসমানী ছিলেন একেবারেই নীরব। উল্লেখ্য, পাকবাহিনী প্রধান মুক্তিবাহিনীর কাছে সারেন্ডার করতে রাজি ছিলো না, কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে রাজিও হয়েছিলো। অথচ নির্দিষ্ট দিনে অজ্ঞাত কারণে ওসমানী সাহেব যেতে রাজি হলেন না। অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ ওসমানীকে অনেক অনুরোধ করেছিলেন, কিন্তু ওসমানী কিছুতেই রাজি হয়নি। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী অনেকটা দিন ওসমানী জীবিতাবস্থায় ছিলেন। অথচ সেই সময়টাতে এই আত্মসমর্পণের বিষয়ে তিনি কিছু বলেছেন বা কোথাও কিছু লিখেছেন কিনাÑতাও অদ্যাবধি শোনা যায়নি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিষয়গুলো জানতে হবে। সত্যিকারের ইতিহাস প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং সেই লক্ষ্যেই আলোচ্য বিষয়ের অবতারণা। যদি কেউ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন, স্বাগতম। (তথ্য সূত্র : স্বাধীনতা আমার রক্ত ঝরা দিন, বেগম মুশতারী শফি, পৃষ্ঠা-২৭)




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]