• প্রচ্ছদ » » মেনন পদত্যাগ করে জাতির কাছে ক্ষমা চান না কেন


মেনন পদত্যাগ করে জাতির কাছে ক্ষমা চান না কেন

আমাদের নতুন সময় : 21/10/2019

পীর হাবিবুর রহমান

প্রবীণ চীনা বাম রাশেদ খান মেনন হঠাৎ রাজনীতির ময়দানে সাক্ষ্য দিলেন একাদশ নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। তিনি এজন্য এখন দ্রোহ করে উঠলেন কেন? ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি তিনি মতিঝিলে জেপির আব্দুর রহিমকে প্রত্যাহার করিয়ে যখন এমপি হয়ে মন্ত্রী হলেন তখন কি ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন? জনগণ ভোট দিয়েছিলো? এখন মেননের বউসহ আবার এমপি হবার পর এই বিদ্রোহ অভিযোগের কারণ কি? ১. তিনি কি ক্যাসিনো বিতর্ক থেকে নিজের ইমেজ রক্ষার কৌশল নিয়েছেন? ক্যাসিনো বাজিকররা আটক হয়ে জিজ্ঞাসাবাদে কি তাকে মাসোহারাদানের তথ্য দিয়েছে? যেটি এখন প্রধানমন্ত্রীর হাতে? তাই তার এসব চতুর বক্তৃতা? ২. মেনন কি মন্ত্রিত্ব না পাবার বেদনা থেকে আর্তনাদ করছেন? ৩.রাশেদ খান মেনন কি কে নো ষড়যন্ত্রের পথে পা দিয়েছেন নাকি কোনো আলামত টের পেয়েছেন? ৪. রাশেদ খান মেনন কি বিবেক তাড়িত হয়ে গøানি থেকে সত্য কথা বলছেন? শেষেরটা যদি সত্যি হয় তাহলে তিনি ১৪ দল বা মহাজোটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে সংসদ থেকে পদত্যাগ করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইছেন না কেন? মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হিসেবে যতো সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন তা ফিরিয়ে দেবার ঘোষণা দিচ্ছেন না কেন? এ বিষয়ে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের বক্তব্য আসা জরুরি। ২. দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে দুর্নীতিবাজরা। হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যাংকিং খাত থেকে লুট করেছে দুর্নীতিবাজরা। শেয়ারবাজারে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে জুয়াড়িরা বিনিয়োগকারীদের পথে বসিয়েছে। বিগত দশ বছরে রাজনীতির মতো মহান আদর্শকে পানির দরে বিক্রি করে, মহান আদর্শিক নেতাদের নামে, মুজিবকন্যা শেখ হাসিনার ব্যাপক উন্নয়ন বরাদ্দ লুটে নিয়েছে একদল মন্ত্রী, এমপি, সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী, রাজনৈতিক পরিচয়ধারী দালালসহ তাদের সিন্ডিকেট ও মাফিয়া ঠিকাদার। দলের সাইনবোর্ড পদবি ব্যবহার করে একদল বঙ্গবন্ধুকে বিক্রি করে শেখ হাসিনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে বেআইনি বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, দখল, ঘুষ দুর্নীতি করে অঢেল অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছে। ভোগের নেশায় ডুবেছে। বৈধ ব্যবসা বাণিজ্য ছাড়া দুর্নীতির পথে দল ও পদবি আর মুজিবকন্যার বিশ্বাস ভঙ্গ করে কেউ অনুপ্রবেশ করিয়ে, কেউ ভেতরে থেকে হরিলুটে রাতারাতি অর্থ সম্পদই গড়েনি, ভোগ-বিলাসই করেনি, শোঅফই করেনি চরম দম্ভের সঙ্গে গানম্যান নিয়ে চলাফেরা করেছে। এসব দুর্নীতিবাজদের পাশে থাকা, সমর্থন করা অপরাধ। অভিশপ্ত কুৎসিৎ কালো শক্তির দম্ভের পতন অনিবার্য। কিছু চাটুকার পোষে, কিছু ক্ষমতাবানদের পদধুলি নিয়েও শেষ রক্ষা হয় না। পাপ বাপকেও ছাড়ে না। মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা ঘর থেকে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু করতেই আতংকগ্রস্ত দুর্নীতিবাজদের কলিজা ভয়ে শুকিয়ে গেছে। জনগণ এ অভিযানকে সমর্থন দিলেও দুর্নীতিবাজদের মনের সুখ হারাম। ঢাকায় অভিযান এখনো চলছে, এর পরই যাবে প্রতিটি জেলায়, দুর্নীবাজ কালো বিড়ালদের পাকড়াও করে জেল রিমান্ডে নেয়া হবে। রাজনীতির নামে পাপের প্রাপ্য শাস্তি দেয়া হবে। এ যুদ্ধে মুজিব কন্যার বিজয় অনিবার্য। এটা দেশের স্বার্থে, অর্থনীতির স্বার্থে লড়াই। অশুভ নষ্ট কুৎসিত কালো শক্তির পতন নিশ্চিত। আমরা মানুষ, আমরাই শক্তিশালী। আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী। আমরা গণতন্ত্রের লড়াইয়ে জয়ী। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদকে আমরা পরাজিত করেছি, মাদকের বিরুদ্ধে লড়ছি। আমরা দুর্নীতিবাজদের পরাজিত করবোই। ওরা ষড়যন্ত্র করবে, নোংরামি করবে,আমরা তবু এ কালো শক্তির বিরুদ্ধে অপ্রতিরোদ্ধ থাকবোই। শুভ সকাল, সুপ্রভাত বাংলাদেশ। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]