• প্রচ্ছদ » » সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, আঞ্চলিক হানাহানি, বিচ্ছিন্নতার চেষ্টা দমনে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন সংকট আমরা উপমহাদেশজুড়ে দেখছি


সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, আঞ্চলিক হানাহানি, বিচ্ছিন্নতার চেষ্টা দমনে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন সংকট আমরা উপমহাদেশজুড়ে দেখছি

আমাদের নতুন সময় : 21/10/2019

ফিরোজ আহমেদ

মোদী পাকিস্তানকে পানি না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, বলেছেন প্রতিটি ফোঁটা পানি ভারতের কৃষকের। এই বক্তব্যটির একটা রাজনৈতিক তাৎপর্য আছে, আরেকটা আছে প্রতিবেশগত তাৎপর্য। ভারতীয় পাকিস্তানি চীনা কিংবা বাংলাদেশি যে কৃষকের নামেই প্রতিবেশী দেশকে বঞ্চিত করা হোক না কেন, নদীর মালিকানার এই দাবিটি ভয়াবহ। চীনা ব্রহ্মপুত্র থেকে পানি প্রত্যাহার করে, আসাম থেকে শুরু করে বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অববাহিকার মানুষ ধ্বংসের মুখোমুখি হবে, সেরকম প্রত্যাহারের কথাবার্তাও আমরা কয়েক বছর ধরেই শুনতেও পাচ্ছি এবং ভারত বা চীনের মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে যা আজকে অনুমান বা আশঙ্কা, কালই দেখছি তার বাস্তবায়ন শুরু হয়ে যায়। পানি কৃষির জন্য প্রয়োজন, শিল্প-কারখানার জন্যও। কিন্তু যে মাত্রায় শিল্প বা কৃষি করতে যদি পানির উৎস নদীটিকেই মেরে ফেলতে হয়, ধরে নিতে হবে যে এই পরিমাণের বেশি চাহিদাসম্পন্ন কৃষি ও শিল্প করা যাবে না, কেননা তা গোটা প্রতিবেশের ধ্বংস সাধন করবে। এই মানদÐ মেনে চলাটা আজকের দিনে ন্যূনতম শিক্ষা ও রাজনৈতিক বোধের মানদÐ হতে হবে। অন্যদিকে পানি নিয়ে এই আক্রমণাত্মক বক্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্যও বিশাল। ভারত-পাকিস্তান পানি চুক্তি এমনকি দেশ দুটির মধ্যকার যুদ্ধের সময়গুলোতেও কখনো লঙ্ঘিত হয়নি। ফলে এ থেকেও বোঝা যায় আক্রমণাত্মক মনোভাবের মাত্রা কতোখানি। সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, আঞ্চলিক হানাহানি, বিচ্ছিন্নতার চেষ্টা দমনে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন এসব সংকট আমরা উপমহাদেশজুড়ে দেখছি, কিন্তু পানি প্রত্যাহারের বাস্তব কার্যকর হতে শুরু করাটা বুঝিয়ে দেবে যে, অন্তত আপাতদৃশ্যকালের মাঝে শান্তির কোনো সম্ভাবনা এই অঞ্চলে নেই। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]