• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » অপচয় দুর্নীতির চেয়েও ভয়ংকর, বললেন পরিকল্পনামন্ত্রী একনেকে ৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন


অপচয় দুর্নীতির চেয়েও ভয়ংকর, বললেন পরিকল্পনামন্ত্রী একনেকে ৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন

আমাদের নতুন সময় : 22/10/2019

সাইদ রিপন : পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ চ্যান্সারি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের সময় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, চ্যান্সারিতে প্রবাসীদের স্বস্তিদায়ক বসার জায়গা, পানিসহ প্রয়োজনীয় সুবিধার ব্যবস্থা রাখতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়, বিদেশী প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য বার বার প্রতিনিধিদের বিদেশ সফর করেন। বার বার বিদেশ সফর থেকে বিরত থাকতে হবে। এ সংশ্লিষ্ট এক প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি হলে ধরা যায়, কিন্তু অপচয়ের ব্যয় নির্ধারণ করা যায় না। সময় অপচয় করা হচ্ছে সবচেয়ে বড় অপচয়। তাই সবাইকে অপচয় রোধ করে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৬৩৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে আসবে ৩ হাজার ১৬০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। এ সময় পরিকল্পনা সচিব নুরুল আমিন, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম, ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য শামীমা নার্গীস এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র প্রকল্পের আওতায় সাইক্লোন সেন্টারগুলো হবে বহুমুখী ব্যবহারের জন্য। এগুলো স্কুল হিসাবেও ব্যবহার করা হবে। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সব সাইক্লোন সেন্টারের সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে সংযোগ সড়ক তৈরি করতে হবে। সেইসঙ্গে পর্যাপ্ত আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ও পানির ব্যবস্থা থাকতে হবে। এছাড়া বৃষ্টির পানি ধরে রাখার জন্য স্থায়ী রিজারভার এবং মাল্টিপারপাস সেন্টার রুম নির্মাণ করতে হবে। মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প জনবলসহ প্রক্রিয়াকরণ ও অর্থায়নের ধাপ যাতে কমানো যায় সেজন্য নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা এখন থেকেই কাজ শুরু করব। এছাড়া ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের পঞ্চম দফা মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে কোনো ব্যয় বাড়ানো হয়নি। যেহেতু প্রকল্পটি পঞ্চমবার সংশোধন করা হয়েছে তাই এটি প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হয়। জমি নিয়ে মামলা থাকায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নে দেরি হচ্ছে।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে, প্রকল্পগুলোর মধ্যে বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩ হাজার ১৭০ কোটি টাকা। সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ চ্যান্সারি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২০৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৯৯৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা। দর্শনা-মুজিবনগর আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৪৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এছাড়া চাষাড়া-খানপুর-হাজীগঞ্জ-গোদানাইল-আদমজী ইপিজেড সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]