পঞ্চগড়ে ফেলে যাওয়া শিশুর কাছে ফিরে গেলেন মা

আমাদের নতুন সময় : 22/10/2019

পঞ্চগড় প্রতিনিধি : শিশুটির মা এবং নানা-নানীর সঙ্গে গত সোমবার কথা বলেছেন জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী। তবে শিশুটিকে আরও দুয়েকদিন হাসপাতালে রেখে পরিচর্যা করা হবে এবং সেখানে শিশুটির মা ও নানা-নানী থাকবেন। পরে তাদের কাছে শিশুটিকে ফিরিয়ে দেয়ার কথা জানান জেলা প্রশাসক। এর আগে শিশুটির মা রিমু আক্তারের সন্ধান পায় পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যায় তাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে আনা হলে তিনি শিশুটিকে কোলে তুলে নেন।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে ঠাকুরগাঁও রেল স্টেশনে চার বছরের শিশুসহ রিমু আক্তারকে কাঁদতে দেখেন আলেমা খাতুন নামের এক গৃহবধূ। এ সময় পরিচয় জানতে চাইলে তিনি কিছুই জানাননি। এক পর্যায়ে আলেমা তাকে আটোয়ারী উপজেলার মালিগা এলাকায় তার বাসায় নিয়ে যান। তিন দিন রিমু আক্তার সেখানেই ছিলেন। এরই মধ্যে টিভি ও পত্রিকার খবর দেখে ও কান্না করতে দেখে সন্দেহ হলে রিমু আক্তারের কাছে আবারও পরিচয় জানতে চান আলেমা। এক পর্যায়ে সবকিছু স্বীকার করেন রিমু। এরপর তাকে আটোয়ারী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সোমবার দুপুরে আটোয়ারী থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে পঞ্চগড় সদর থানায় আনা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর রুমি আক্তারকে হাসপাতালে তার সন্তানের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি শিশুটিকে কোলে তুলে নেন। রিমু আক্তার বলেন, সোমবার পর্যন্ত আমার শিশুটির বয়স ১৬ দিন। আমি একাধিক কারণে শিশুটিকে দত্তক দিতে চেয়েছিলাম। কেউ নিতে না চাইলে আমি তাকে ফেলে চলে যাই। এটা আমার ভুল হয়েছে। এখন আমি শিশুটিকে ফিরে পেতে চাই। আমি নিজে তাকে লালন-পালন করবো। আমার সঙ্গে আমার বাবা-মাও রয়েছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী বলেন, আটোয়ারী থানা পুলিশের সহায়তায় শিশুটির মা রিমু আক্তারকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। তিনি যে শিশুটির মা এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে। জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, বর্তমান স্বামীর সঙ্গে সাংসারিক টানাপোড়েনের কারণে রিমু আক্তার শিশুটিকে ফেলে যাওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নেন। এছাড়া তার কথাও কিছুটা অসংলগ্ন। তবে তিনিই যে শিশুটির মা, এটা নিশ্চিত হয়েছি। সম্পাদনা : টিএম হুদা, ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]