পেঁয়াজের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা

আমাদের নতুন সময় : 22/10/2019

জান্নাতুল পান্না: ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ার আগে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজের যে রপ্তানি আদেশ দিয়েছিলেন সেসব আটকে পড়া পেঁয়াজ আসা শেষের পথে।
গত ২৯ সেপ্টেম্বরের আগে রপ্তানি আদেশপ্রাপ্ত যেসব পেঁয়াজ ভর্তি ট্রাক ভারতের মহদীপুর স্থলবন্দরে আটকে ছিল সেগুলো আজ বুধবারের মধ্যে আসা শেষ হয়ে যাবে। এরপর আরেক দফা পেঁয়াজের দাম বাড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। দেশীয় পেঁয়াজ ওঠার আগ পর্যন্ত আর পেঁয়াজের দাম কমার কোনো লক্ষণ নেয় বলে অভিমত এসব ব্যবসায়ীদের।
ভারতের নিষেধাজ্ঞার আগে সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২ শতাধিক ট্রাক পেঁয়াজ এলেও নিষেধাজ্ঞার কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। তবে ২৯ সেপ্টেম্বরের আগে যেসব পেঁয়াজের রপ্তানি আদেশ ছিল সেগুলোর মধ্যে ২১টি ট্রাক পেঁয়াজ ভারতের মহদীপুর বন্দরে এখনো আটকে আছে। ১৬টি ট্রাক আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে প্রবেশ করলেই এ বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আসা বন্ধ হয়ে যাবে।
পানামার পোর্ট ম্যানেজার মইনুল ইসলাম জানান, রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার আগে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের অর্ডার দেয়া পেঁয়াজের মধ্যে গত ৭ দিনে ১৬৭ ট্রাক পেঁয়াজ ভারতের মহদীপুর স্থলবন্দর থেকে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে প্রবেশ করেছে। এরমধ্যে রোববার মহদীপুর স্থলবন্দর থেকে ২৩, সোমবার ৩১, মঙ্গলবার ২৯, বুধবার ৩০, বৃহস্পতিবার ২৫, শনিবার ২৫ ও রোববার ৪ সোমবার ৯ এবং মঙ্গলবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ৫ ট্রাক ভারতীয় পেঁয়াজ সোনামসজিদ বন্দরে প্রবেশ করেছে। এদিকে চাহিদামত পেঁয়াজ না আসায় সোনামসজিদ বন্দর সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে প্রতি কেজি ৯০ থেকে ১০০ টাকা করে। যদি এ বন্দর দিয়ে পুরোপুরি পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যায়, তবে এ পণ্যটির দাম আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]