• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » ভোলার তা-বে লাঠি সরবরাহ করেন যুবলীগ নেতা শুদ্ধি অভিযান ঠেকাতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা


ভোলার তা-বে লাঠি সরবরাহ করেন যুবলীগ নেতা শুদ্ধি অভিযান ঠেকাতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা

আমাদের নতুন সময় : 22/10/2019

ইসমাঈল ইমু : আওয়ামী লীগের শুদ্ধি অভিযানকে ব্যাহত করতে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ভোলার বোরহানউদ্দিনে তান্ডবের ঘটনা এর যোগসূত্র। ওই তান্ডবে লাঠিসোটা সরবরাহ করার বিষয়ে এক যুবলীগ নেতার নাম শোনা যাচ্ছে। তবে যেকোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্কাবস্থায় রয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। গোয়েন্দা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ক্যাসিনোকান্ডে ইতিমধ্যে যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, ইসমাইল চৌধুরী স¤্রাট, আরমান, খালেদ ভুইয়াকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের ব্যাংক এ্যাকাউন্টও জব্দ করা হয়। এছাড়া এ ঘটনায় জড়িত সাবেক মন্ত্রী, বর্তমান সংসদ সদস্য, কাউন্সিলর ও রাজনৈতিক নেতাদের সংশ্লিষ্টতার খবর বেরিয়ে আসছে। শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত থাকলে ক্ষমতাসীন দলের অনেক নেতাই বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমানে মহানবীকে (স.) নিয়ে কটুক্তির ঘটনায় যে আন্দোলন শুরু হয়েছে তাদেরকে উস্কানি দেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সূত্র আরো জানায়, দেশের যেকোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের মাঠে থাকছে। কিন্তু শুদ্ধি অভিযানে নেতারা দল থেকে ছিটকে পড়লে তাদের কর্মীরাও সাধারণত ব্যাকফুটে চলে আসবে। এতে বিপাকে পড়বে সরকার। এমন ধারণায় একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে বলে সূত্রের ধারণা।
স্থানীয়রা সূত্র জানায়, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে মুসল্লিদের মধ্যে কয়েকজন যুবককে লাঠি নিয়ে পুলিশের আশ্রয় নেয়া কক্ষের দরজা ভাঙ্গার চেষ্টা করছিল। এসময় মুসল্লিরা বাঁধা দিলে তাদের উপরও চড়াও হয় লাঠি হাতে যুবকেরা।

এদিকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গত রোববার ভোলার বোরহানউদ্দিনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক যুবকের বিচারের দাবিতে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল হয়। মিছিলে অস্বাভাবিকতা তৈরি হলে তা সামাল দিতে পুলিশ মুসল্লিদের ওপর গুলিবর্ষণ করে। পুলিশ বলছে, এক যুবকের হ্যাক হওয়া আইডি থেকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার বক্তব্য ছড়ানোর ঘটনা থেকে এ পরিস্থিতির সূত্রপাত হয়। বোরহানউদ্দিনের ঘটনায় পুলিশের গুলিতে চারজন নিহত হন। নিহত চারজনকে নিজেদের কর্মী-সমর্থক বলে দাবি করেছে তৌহিদী জনতা। সংঘর্ষে পুলিশের ১০ সদস্যসহ দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে। অবাক করার বিষয় হচ্ছে পুলিশের গুলিতে নিহতদের মাথা থ্যাতলানো ছিল। চিকিৎসকরা বলছেন, গুলিতে নিহত হলে মাথা থেতলে যাওয়ার কথা না। এছাড়াও নিহতদের লাশ ময়না তদন্ত ছাড়াই নেয়ার দাবি ওঠায় সন্দেহ দানা বাঁধছে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]