• প্রচ্ছদ » লিড ১ » সিঙ্গাপুরের এক ক্যাসিনোতেই হারেন ১৯শ’ কোটি টাকা, র‌্যাবের জিঞ্জাসাবাদে সম্রাট


সিঙ্গাপুরের এক ক্যাসিনোতেই হারেন ১৯শ’ কোটি টাকা, র‌্যাবের জিঞ্জাসাবাদে সম্রাট

আমাদের নতুন সময় : 22/10/2019

ইসমাঈল ইমু : বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী স¤্রাট জুয়ার বোর্ডে সিঙ্গাপুরের একাধিক ক্যাসিনোতে জুয়া খেললেও মেরিনো বে নামক এক ক্যাসিনোতেই হারেন ১৯ শ’ কোটি টাকা।

র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে স¤্রাট জানান, তিনি জুয়া খেলতে সঙ্গে নিতেন লাগেজভর্তি ডলার। ভিআইপি লাউঞ্জ দিয়ে বিমানে উঠতেন তিনি। তার লাগেজ চেক করা দূরের কথা কখনই তাকে দেহতল্লাশির মুখোমুখিও হতে হয়নি। কিভাবে তিনি ক্যাসিনো জগতে এলেন সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। সেসব তথ্য যাচাই বাছাই করা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, দুবাই, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে টাকা জমা রেখেছেন স¤্রাট। তার ভাই বাদলের নামে রাজধানীর আশপাশে কয়েকটি প্লট ও ফ্ল্যাট কিনে রেখেছেন তিনি।
র‌্যাব জানায়, স¤্রাটের অস্ত্র ভান্ডারের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কারণ বিভিন্ন সূত্রে খবর এসেছে স¤্রাটের কাছে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। বিশেষ করে তার কাছে একাধিক একে-৪৭ ও একে-২২ রাইফেল আছে। নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে স¤্রাটের অস্ত্র ভান্ডারের তথ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার অস্ত্রধারী ক্যাডারদের একটি তালিকা তৈরি করেছে র‌্যাব। অর্ধশতাধিক ক্যাডার বাহিনীর প্রত্যেকের কাছেই একের অধিক বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। বিদেশে পালিয়ে থাকা একাধিক শীর্ষ সন্ত্রাসীর কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র সংগ্রহ করতেন খালেদ। তার ব্যক্তিগত গাড়িতে সার্বক্ষণিক ১০-১৫টি পিস্তল ও শর্টগান থাকত। কথায় কথায় তিনি গুলি ফুটিয়ে জনমনে আতঙ্ক তৈরি করতেন।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, স¤্রাটই ঢাকার ক্যাসিনো জগতের প্রধান নিয়ন্ত্রণকারী ছিলেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তার মাধ্যমেই প্রভাবশালী মহলে বিপুল অংকের অবৈধ অর্থের লেনদেন হয়েছে। যেখানেই অঢেল অর্থ সেখানেই অবধারিতভাবে অস্ত্র, মাদক ও নারী সম্পৃক্ততা চলে আসে। স¤্রাটের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। সম্পাদনা : ওমর ফারুক, ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]