• প্রচ্ছদ » » সংঘাত-সহিংসতা বন্ধে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের প্রয়োজন, বললেন ডা. তাজুল ইসলাম


সংঘাত-সহিংসতা বন্ধে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের প্রয়োজন, বললেন ডা. তাজুল ইসলাম

আমাদের নতুন সময় : 23/10/2019

আমিরুল ইসলাম : সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের সমাজে একটি বিষয় দেখা যাচ্ছে যে সামান্য গুজবকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের সহিংসতার ঘটনা দেখা দিচ্ছে। এসব গুজব শুধু ধর্মীয় বিষয়কে কেন্দ্র করে নয়, সমাজের অন্যান্য বিষয় নিয়েও এখন গুজব ছড়ানো হলে হানাহানি মারামারি দেখা যায়। মানুষের এ রকম সহিংস হয়ে ওঠার কারণ কী জানতে চাইলে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম বলেছেন, সাধারণ মানুষের অনুভূতি কাজে লাগিয়ে সহিংসতা সৃষ্টি করা বন্ধ করতে হলে সাংস্কৃতিক বিল্পব করতে হবে। মানুষকে শিক্ষিত করতে হবে, সচেতন করতে হবে, বিজ্ঞানমনস্ক করতে হবে।
তিনি বলেন, মানুষ সেসব গুজবকে বিশ^াস করে যেগুলো তার আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে যায়। আমাদের অনুভূতি খুব সূক্ষ্ম। সেখানে খুব দ্রুত আঘাত লেগে যায়। যেকোনো ধর্ম ও মতবাদের লোকেরই একই অবস্থা। বিখ্যাত ব্যক্তির নামে, নবী-রাসূলদের নামে কটূক্তি করা হলে খুব দ্রুত আমাদের অনুভূতিতে আঘাত লেগে যায়। মানুকে শারীরিকভাবে একটু আঘাত করলে বা একটা থাপ্পড় দেয়া হলে সেটা বেশিক্ষণ মনে রাখে না, কিন্তু কারও অনুভূতিতে আঘাত দিলে সারাজীবনের জন্য ক্ষত হয়ে থাকে। জাতিগতভাবে আমরা অনেক বেশি সেন্টিমেন্টাল। কিছু কিছু বিষয়কে বাঙালি জাতি নিজের জীবনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। জানপ্রাণ দিয়ে হলেও তারা কিছু বিষয়ের প্রতিবাদ করে। কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী এটাকে ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের মতো ব্যবহার করে। তারা গ্রুপ তৈরি করে নিয়ে নিজেরাই হট্টগোল বাধিয়ে একটা সহিংস পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের অনুভূতিটাকে একটি স্বার্থানেষী গোষ্ঠী ব্যবহার করে। বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ এতো সহজে সব কিছতে আহত হয় না। তারা সব কিছু অনেক যৌক্তিকভাবে চিন্তা করে, অনেক উন্নতভাবে বিচার বিশ্লেষণ করে। সমাজে আধুনিকমনস্ক এবং বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ বৃদ্ধি পেলে এ ধরনের ঘটনা কমে যাবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]