• প্রচ্ছদ » » ‘ওয়ার্কার্স পার্টির নেতাদের মধ্যে কমিউনিস্ট জীবনযাপনের কিছু নেই’


‘ওয়ার্কার্স পার্টির নেতাদের মধ্যে কমিউনিস্ট জীবনযাপনের কিছু নেই’

আমাদের নতুন সময় : 24/10/2019

আরিফুজ্জামান তুহিন

ওয়ার্কার্স পার্টি ফের ভাঙছে। প্রথম এই পার্টির ঐক্য প্রক্রিয়াই ছিলো অত্যন্ত ভুল বিষয়। শক্তিশালী কৃষক সংগঠন ও দাপুটে ছাত্র সংগঠন বিপ্লবী মৈত্রী নিয়ে ওয়ার্কার্স পার্টিতে যোগ দেওয়া ছিলো কমিউনিস্ট লীগের আত্মহত্যার শামিল। এতোদিন পরে এসে লীগের নেতারা বুঝলেন যে মহা ভুল হয়েছে। ওয়ার্কার্স পার্টির নেতাদের মধ্যে কমিউনিস্ট জীবনযাপনের কিছু নেই, সংগঠন কমিউনিস্ট আদর্শ ত্যাগ করেছে এটি এতো পরে বুঝলেন কমরেড? আমি তো আমার ১৯ বছরে জীবনেই বুঝতে পেরেছিলাম। আমি যা বুঝতে পারলাম ১৯ বছরে জীবনে আপনাদের তা বুঝতে আশি বছর লেগে গেলো? এই দীর্ঘ সময়ের মতো লাখো তরুণের জীবন শেষ হলো, হতাশায় কতো মানুষ তিলে তিলে নিঃশেষ হলেন কমরেড তার কি কোনো হিসেব আছে? যারা ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে বেরিয়ে নতুন দল করবেন, প্রথমেই তাদের নাম হওয়া উচিত সরাসরি কমিউনিস্ট পার্টির নামের সঙ্গে নাম রেখে। আমার প্রস্তাব হলো, যারা ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে বের হবেন তারা, প্রথমে একটি সংগঠন তৈরি করুন। সেটির নাম কোঅডিশন কমিটি টাইপ হলেও কোনো ক্ষতি নেই। এই সংগঠন দেশের বৃহত্তর বাম ঐক্যর চেষ্টা চালাবে। দেশের সব জেলাতে তারা বামদের ঐক্যর বিষয়ে জোর প্রচার চালাবে। যেসব কর্মী নিষ্ক্রিয় ছিলো তাদের তালিকা করে যোগাযোগ করবে। এর বাইরে এ পর্যন্ত ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে বেরিয়ে যারা পার্টি করেছে যেমন টিপু বিশ্বাসের জাতীয় গণফ্রæন্ট, নান্নু ভাইদের নেতৃত্বের কমিউনিস্ট লীগ, সাইফুল ভাইয়ের নেতৃত্বে থাকা বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টিসহ সবার সঙ্গে আন্তরিক আলাপ চালাবে প্রথমে ন্যূনতম ঐক্যর জন্য। কমিউনিস্টদের খোলা মন থাকা উচিত। বিনয়ী হওয়া উচিত। মানুষের প্রতি আস্থা থাকা উচিত। এগুলো থাকলে কিছু জড় শব্দ নিয়ে বসে না থেকে সত্যিকারে ঐক্যর বিষয়ে কমিউনিস্টদের নেতৃত্ব দিতে হবে। নতুন কমিউনিস্ট পার্টি নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকবে, গণআন্দোলন, গণসংগ্রামের ওপর জোর দেবে এটা প্রত্যাশা করছি। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]