ক্যাসিনোকা-ে আ.লীগের দুই নেতা এক মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি

আমাদের নতুন সময় : 24/10/2019


মাসুদ আলম : ক্যাসিনোকা-ে জড়িত গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক ও যুগ্ম সম্পাদক রূপন ভূঁইয়াসহ চারজনকে এক মাসেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এনামুল ও তার ছোট ভাই রূপন ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের শেয়ারহোল্ডার। খালেদ গ্রেপ্তারের পরপরই থাইল্যান্ডে পালিয়ে যান এনামুল।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর সূত্রাপুর থানার বানিয়ানগরে এনামুল ও রূপনের বাড়িসহ চারটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পাঁচটি ভল্ট থেকে ৫ কোটি ৫ লাখ টাকা, ৭২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও ছয়টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে র‌্যাব-৩। ওই দুজনের একজন এনামুলের বন্ধু মো. হারুন অর রশিদ, তার বাসা গেন্ডারিয়ায়। অন্যজন তার কর্মচারী আবুল কালাম আজাদ, তার বাসা ওয়ারীতে। এসব ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে ওই চারজনের বিরুদ্ধে পৃথক সাতটি মামলা করেন। এদিকে এনামুল ও রূপনের ৩৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুদক।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান,টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় র‌্যাব এনামুল, রূপন, এনামুলের বন্ধু হারুন অর রশিদ, তার কর্মচারী আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে পৃথক ৭টি মামলা করেন। এর মধ্যে সূত্রাপুর থানায় মানি লন্ডারিং ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দুটি করে চারটি। ওয়ারী থানায় অস্ত্র ও মানি লন্ডারিং আইনে দুটি এবং গেন্ডারিয়া থানায় মানি লন্ডারিং আইনে একটি মামলা করা হয়। মানি লন্ডারিং আইনে মামলাগুলো সিআইডি তদন্ত করছে। আর বিশেষ ক্ষমতা আইনে ও অস্ত্র মামলা গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করছেন। তবে এসব ঘটনায় এখনো কেউ ধরা পড়েনি।
সূত্র জানায়, দুই ভাই এলাকায় ত্রাসের রাজনীতি করতেন। এখন এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তাদের নেশা ছিলো জমি ও স্বর্ণ কেনা। খালেদ গ্রেপ্তারের পরপরই দুই ভাই বিদেশে পালিয়ে যান। আবার তাদের ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন রূপন দেশেই আত্মগোপনে রয়েছে। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই ভাই জুয়ার ব্যবসায় নেমে পড়েন। তারা ছয় ভাই। তাদের ছয় ভাইয়ের ১৪ ছেলে ও বহিরাগতদের নিয়ে চাঁদাবাজ বাহিনী গড়ে তুলেছেন। অভিযানের পর থেকে তারা পলাতক রয়েছে। সম্পাদনা : কাজী নুসরাত




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]