• প্রচ্ছদ » » খেলোয়াড়রা কেন দাবি-দাওয়া নিয়ে ক্রিকেট বোর্ডে না এসে সাংবাদিকদের কাছে গেলেন


খেলোয়াড়রা কেন দাবি-দাওয়া নিয়ে ক্রিকেট বোর্ডে না এসে সাংবাদিকদের কাছে গেলেন

আমাদের নতুন সময় : 24/10/2019

ফরহাদ টিটো

নাজমুল হাসান পাপনের বড় ভক্ত কোনোদিনই ছিলাম না আমি। এখনো নই। তবে তার ডাকা সম্প্রতি সাংবাদিক সম্মেলনটা আমার মন কেড়ে নিয়েছে। অন্যভাবে বললে ভালো লেগেছে। বরাবরের মতো সাংবাদিকদের আপন মানুষ মনে করে মন খুলে কথা বলছিলেন তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে। তার পুরো ভাষ্যে অযৌক্তিক প্রশ্ন ও আক্ষেপ খুব কম ছিলো। তার বক্তব্যের সময় কখনো তিনি অভিমান ঝেড়েছেন, কখনো রাগ, কখনো অপার বিস্ময়। আসলেই তো, একটা প্রশ্নে তো তার সঙ্গে একমত না হয়ে পারা যায় না। খেলোয়াড়রা কেন দাবি-দাওয়া নিয়ে ক্রিকেট বোর্ডে না এসে সাংবাদিকদের কাছে গেলেন? বিসিবিকে হ্যাঁ-না বলার সুযোগ না দিয়েই তারা কেন মাঠে খেলা বন্ধের হুমকি দিয়ে দিলেন? এবার অন্যদিক থেকে মানে খেলোয়াড়দের দিক থেকে যদি ব্যাপারটা দেখার চেষ্টা করা হয় তাহলে নিশ্চয়ই কিছু না কিছু তথ্য পাওয়া যাবে যা তাদের সিদ্ধান্তের সমর্থক। আমার ধারণা, বিক্ষিপ্তভাবে হঠাৎ হলেও খেলোয়াড়রা তাদের চাওয়া ও চাহিদার কথাগুলো বিসিবি কর্তাদের কানে দিয়ে এসেছেন এতোদিন। যা হয়তো ছিলো নিতান্তই ব্যক্তিগত আলাপ-আলোচনার পর্যায়ে। তবে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন (কোয়াব) থেকে ১১ দফা পত্র নিয়ে বোর্ডের সঙ্গে নিশ্চয়ই দেখা করার উদ্যোগ নেননি খেলোয়াড় নেতারা। নিলে নিশ্চয়ই আমরা জানতে পারতাম। সেভাবে, সঠিক প্রক্রিয়ায় এগোনোর পর আবেদন নাকচ হলে ধর্মঘট আহŸান আরও যুক্তিযুক্ত ও সমর্থনযোগ্য হতো। তাই না? দেশীয় ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্যই বিসিবির জন্ম। ক্রিকেটাররা যদি খেলা বন্ধ করে দেন তাহলে বিসিবি বঁাঁচবে কীভাবে ? না-হ্যাঁ পাপন যখন দুঃখ আর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন ‘তারা না খেলতে চাইলে আমি কি করতে পারি’Ñএটা খুব হাস্যকর শোনায়। ক্রিকেটারদের খেলাতেই হবে যেকোনো মূল্যে। ১১ দফার ৩, ৪, ৫, ৬ অথবা ১১টাই মেনে নিয়ে। অথবা তাদের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে সমঝোতা আলোচনায় বসে। সাকিবদের একটা বিষয় আমারও খুব পছন্দ হয়নি। ইন্ডিয়া ট্যুরের মতো এমন একটা হাই প্রেস্টিজিয়াস ট্যুরের ঠিক আগেই এমনটা করতে হবে কেন? এতো বড় একটা চ্যালেঞ্জের আগে এতোগুলো দিন, ঘণ্টা খেলাহীন কাটানো কি কোনোভাবেই ঠিক? শেষমেশ ব্যাপারটা মিটেও যাবে আমার বিশ্বাস। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ পর্যন্ত গড়াবে বিষয়টা। ওপার বাংলার সৌরভ গাঙ্গুলিও হয়তো উঠেপড়ে লাগবেন সমস্যার সমাধানে। কিন্তু ক্রিকেটকে জিম্মি করার এই চর্চা, খেলোয়াড়-বোর্ড দ্ব›দ্বটা কি আমাদের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেবে না? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]