• প্রচ্ছদ » » বুবলির কী দরকার ছিলো এতো কষ্ট করে আটজন দিয়ে পরীক্ষা দেয়ার


বুবলির কী দরকার ছিলো এতো কষ্ট করে আটজন দিয়ে পরীক্ষা দেয়ার

আমাদের নতুন সময় : 24/10/2019

খুজিস্তা নূর-ই নাহারিন

বুবলির কী দরকার ছিলো এতো কষ্ট করে আটজন দিয়ে পরীক্ষা দেয়ার। সরাসরি সার্টিফিকেট কিনে নিলেই তো পারতো । শুনেছি মার্কেটে অন্যান্য পণ্যের মতো পরীক্ষার সার্টিফিকেটও নাকি কিনতে পাওয়া যায়। কিছু ইউনিভার্সিটি আবার পয়সার বিনিময়ে এই সার্টিফিকেট বিক্রি করে। নীলক্ষেতে অর্ডার অনুযায়ী নাকি সার্টিফিকেট এবং মেডেল বানানো হয়। নৈতিক স্খলন আর কতো দেখবো। একবার এক ভদ্রলোক আমায় বললেন, ম্যাডাম ইংল্যান্ড থেকে পার্লামেন্ট মেম্বাররা এসে আপনাকে পুরস্কৃত করবে অল্প কিছু টাকা খরচ করলেই হবে, আমি যারপর নাই বিরক্ত হলাম। পালে হাওয়া লাগানো আরেকজন একবার বুদ্ধি দিয়ে বললেন, ‘নামের আগে ডক্টর ডিগ্রিটা এবার লাগিয়ে ফেলেন, কষ্ট করতে হবে না, কিছু টাকা খরচ করলেই হয়ে যাবে’। এবার আমার অবাক হবার পালা।
আমার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু-বান্ধবীরা কতো কষ্ট করে পিএইচডি করেছে আর এই সম্মানকে তারা ধুলায় মিশিয়ে দিতে চাইছে। আমি চাইলে কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয় উন্নত দেশে স্কলারশিপ নিয়ে যেয়ে ডিগ্রি আনতে পারতাম, সেই রেজাল্ট এবং যোগ্যতাও আমার ছিলো। কিন্তু সংসার সন্তান আর সময়ের কাছে হার মেনে ওই পথে পা বাড়ানো হয়ে উঠেনি। জীবন মানেই তো প্রতি মুহূর্তে প্রায়োরিটি সিলেকশন। আফসোস নেই সত্যি, কিন্তু যারা বাস্তবিক অর্থেই সময় মেধা ব্যয় করে নামের আগে ডক্টরেট ডিগ্রি লাগিয়েছেন, মানুষের ভালোর জন্য রাত-দিন পরিশ্রম করে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন তাদের প্রতি আমার সম্মান এবং শ্রদ্ধা। চারপাশে এতো অমানুষের হঠাৎ করে এতো ডিগ্রি এতো ডক্টরেট দেখে দ্বিধায় পড়ি কোনটি সত্য। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]