ঘড়িয়ালের ডিম পাড়ানোয় বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের সাফল্য, প্রজাতি রক্ষার নতুন আশা

আমাদের নতুন সময় : 29/10/2019

আসিফুজ্জামান পৃথিল : এই বিরল প্রজাতির নদীতে বিচরণকারী কুমিরের ডিম ফুটানোর খবর রোববার এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন সংরক্ষণবীদরা। বাংলাদেশে খোলা পরিবেশে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্রজাতিটির জন্য একে বড় ধরণের সুসংবাদ ধরা হচ্ছে। এএফপি
দক্ষিণ এশিয়ার এই নদীবিধৌত দেশটি একসময় ঘড়িয়ালের বৃহত্তম আবাসের একটি ছিলো। মৎসভুক কুমিরটি সম্পর্কে ভুল ধারণা, কুসংস্কার, অপরিকল্পিত মৎসাহরনে জালে আটকে মৃত্যু এই প্রাণীটিকে বাংলাদেশে বিলুপ্তির কাতারে নিয়ে গেছে। পদ্মায় একসময় ঘড়িয়ালের রোদ পোহানোর দৃশ্য অতি স্বাভাবিক হলেও এখন পদ্মায় এই প্রাণী প্রায় চোখেই পরে না। ২০১৭ সালে ডিম পারানোর উদ্দেশ্যে ঢাকা চিড়িয়াখানা থেকে ৪১ বছর বয়সী পুরুষ ঘড়িয়াল গড়াইকে রাজশাহীতে নিয়ে যাওয়া ছিলো। উদ্দেশ্য ছিলো ৩৫ বছর বয়সী মাদী ঘড়িয়াল পদ্মার সঙ্গে যেনো মিলিত করা। সাধারণত ৫০ বছর পর্যন্ত ঘড়িয়ালকে প্রজননক্ষম ধরা হয়।
এই বিষয়ে আইসিবিএন এর বাংলাদেশ ঘড়িয়াল প্রকল্পের প্রধান সারওয়ার রআলম এএফপিকে বলেন, ‘যখন আমরা তাদের একে অপরের সামনে আনলাম, আমাদের ভয় ছিলো এই বয়স্ক ঘড়িয়ালগুলো হয়তো প্রজননক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। তারা শুধু মিলিতই হয়নি, ডিমও দিয়েছে।’ রাজশাহী চিড়িয়াখানার কিউরেটর ফরহাদউদ্দিন জানিয়েছেন গত সপ্তাহে তিনি ২টি পঁচা ডিম পান। অতিবৃষ্টিতে কুমিরের আবাসে পানি প্রবেশ করায় এই ঘটনা ঘটে। তিনি আশা করছেন এই ঘড়িয়ালগুলো যেহেতু বারেবারে মিলিত হচ্ছে, পদ্মা আরও ডিম পারবে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]