সাকিবের হাত ধরেই বাংলাদেশ আজ এখানে

আমাদের নতুন সময় : 30/10/2019

 

আক্তারুজ্জামান : সময়টা ২০১০। সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দল গিয়েছিলো ইংল্যান্ড সফরে। ইংল্যান্ড সফরটা টাইগারদের খুব একটা ভালো কাটেনি। তবে সাকিবের পারফরম্যান্স দেখে বিস্মিত হয়েছিলো ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোদ্ধারা। তাই ইয়ন মরগানের মতো সাকিবকেও তাদের দলে নেয়ার পরিকল্পনা করেছিলো ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। যে মরগান এবার ইংলিশদের বিশ্বকাপ উপহার দিয়েছে। এমন সুযোগ হয়তো সাকিবও পেতে পারতেন। কিন্তু না, সাকিব সেটা করেননি। লাল-সবুজ পতাকা গায়ে জড়িয়ে নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার অদ্ভূত এক চেষ্টা ছিলো তার। কাড়ি কাড়ি টাকা আর ইংলিশদের সম্মান পাওয়ার দারুণ সুযোগ এসেছিলো সাকিবের সামনে। কিন্তু না দেশ মাতৃকার ভালোবাসা আর দায়বদ্ধতার খাতিরে নিজের লোভ সংবরণ করেছিলেন। এরপর নিজেকে এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। কেননা বাংলাদেশের মতো পুঁচকে দলের ক্রিকেটার হয়ে তিন ফরম্যাটের সবগুলোতে নাম্বার ওয়ান পজিশন দখল করেন। তাও আবার অলরাউন্ডার ক্যাটাগরিতে। ব্যাটে-বলে সমান তালে ছড়ি ঘুরিয়ে কয়েক বছর নিজেকে শীর্ষস্থানে রাখেন সাকিব। খেলেছেন বিশ্বের নামীদামী সব লিগে। আর বাংলাদেশের ক্রিকেটকে নিয়ে যান অনন্য উচ্চতায়।তার বোলিং ভেলকি ও ব্যাটিং নান্দনিকতায় মুগ্ধ হয়েছিলো ক্রিকেটবিশ্ব। শচীন টেন্ডুলকার, ব্রায়ান লারা, ইয়ন বিশপ, রাসেল আরনর্ল্ডসহ নামীদামী সব তারকারা সাকিব বন্দনা শুরু করেন। এমনকি সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছিলেন- হাফিজ, ওয়াটসন, ক্যালিস, আফ্রিদীর মত খেলোয়াড় ১০ বছর পর পর জন্মায়, কিন্তু সাকিবের মত খেলোয়ার ১০০ বছরেও একটা জন্মায় না। তবে সাকিবের ছোট ভুলটাকে আইসিসি ক্ষমা করবে এমনটাই চাইছেন সবাই। তার উপর ভুলটা অনেক পুরোনো। নতুনভাবে সাকিবের কোনো ভুল না পাওয়ায় এটা কোনো ষড়যন্ত্র কিনা সেটাও খতিয়ে দেখার অনুরোধ ভক্তদের।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]