শচীনকে বল টেম্পারিংয়ে অভিযুক্ত করার সময়ও আড়ালে ছিলো এ জুয়াড়ি

আমাদের নতুন সময় : 31/10/2019

দেবদুলাল মুন্না : এমি মনোনয়ন প্রাপ্ত নির্মাতা জেমস এরস্কিন পরিচালিত ভারতের ক্রিকেট কিংবদন্তী শচীন টেন্ডুলকারের জীবনের উপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘শচীন : আ বিলিয়ন ড্রিমস’ মুক্তি পেয়েছে বছর দুয়েক আগে। এখানে দেখা যায়, শচীন টেন্ডুলকার প্রথমেই বলছেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্ন ছিল একদিন বিশ্বকাপ নিজের হাতে তুলে ধরবো।’ পাড়ার ওয়াচম্যানকে খেপিয়ে বেড়ানো দুষ্টু শিশুটির ধ্যান-জ্ঞান তখন থেকেই হয়ে ওঠে ক্রিকেট। ফলে ক্রিকেটের দীক্ষা নিতে তিনি ভর্তি হয়ে যান আচরেকর স্যারের ক্লাসে। কালে ভারতের অন্যতম ব্যাটিং ভরসায় পরিণত হন তিনি। কিন্তু ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তার বিরুদ্ধেও করা হয়েছিল। অন্য সবার মতো কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয় শচীনকে। তার পাশে দাঁড়ায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এরপর সেখান থেকে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করে স্বমহিমায় জ্বলে ওঠেন লিটল মাস্টার।
ওই ডকুড্রামায় একপর্যায়ে বলতে শোনা যায়, ‘ক্রিকেট খেলা আমার কাছে মন্দিরে যাওয়ার মতো। আমি ক্রিকেটজগতে কোনো অন্যায় করতে পারি না।’ অথচ ২০০১ সালে শচীন টেন্ডুলকারও ছিলেন এর শিকার। দক্ষিণ আফ্রিকার পোর্ট এলিজাবেথে আম্পায়ার মাইক ডেনিস শচীনের বিরুদ্ধে বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ আনেন। তাকে এক ম্যাচ নিষিদ্ধও করেন। টেলিভিশন ক্যামেরায় দেখা যায় সিমকে খুঁচিয়ে দিচ্ছিলেন শচীন। যদিও ভারতের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিলো, সিমের ভেতর আটকে থাকা ঘাস তুলছিলেন তিনি। এই টেস্ট নিয়ে উত্তেজনা এমন পর্যায়ে ছিল যে, আম্পায়ার মাইক ডেনিসকে বর্ণবাদী হিসেবেও আখ্যা দেয়া হয়। পরের টেস্টে তাকে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়। পরে অবশ্য টেন্ডুলকরকে অভিযোগ থেকে নিস্তার দেয় আইসিসি। সে সময় তিন ক্রিকেট জুয়াড়ির নাম শোনা যায়, একজন অস্ট্রেলীয়, নাম স্টিভস কিয়ার। অন্য দুইজন ভারতীয়, নাম গুরুনাথ মায়াপ্পান ও ভিক্টর। গুরুনাথ মায়াপ্পান হচ্ছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সাবেক সভাপতি এন শ্রীনিবাসনের মেয়ে জামাতা। আর ভিক্টর সে সময় মাত্র ষোলো বছরের তরুণ। অস্ট্রেলিয়ায় কম্পিউটার সায়েন্সে পড়াশোনা করছে। গুরুনাথ মায়াপ্পান পুলিশের কাছে ধরা পড়ার পর স্বীকার করেছিলেন তার সহযোগী ভিক্টর। এই সেই ভিক্টর যে আজ দীপক আগরওয়াল নামে ভারতের বড়ো ক্রিকেট জুয়াড়ি। সেই অল্প বয়সেই আগরওয়ালের নাম গুরুনাথ মায়াপ্পান ও স্টিভস কেয়ারের সঙ্গে জুয়াড়ি হিসেবে কুখ্যাতি কুড়িয়েছিল। সম্পাদনা : ভিক্টর কে. রোজারিও




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]