ফিক্সিংয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় জুয়াড়িরা নীরব আইসিসি ও বিসিসিআই

আমাদের নতুন সময় : 03/11/2019

রাকিব উদ্দীন : সম্প্রতি ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ না জানানোর কারণে বিশ^সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আইসিসি। ভারতীয় জুয়াড়ি দীপক আগারওয়ালের দেয়া প্রস্তাব আইসিসিকে না জানানোয় এমন শাস্তি পেয়েছেন তিনি। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠলেই সবচেয়ে বেশি উঠে আসে ভারতীয় জুয়াড়িদের নাম। তবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো তদন্তও এ পর্যন্ত করা হয়নি। তাই ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ সংস্থাগুলোর ভুমিকা।
বিশে^র অন্যতম আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরার স্টিং অপারেশনে বেরিয়ে আসে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের চাঞ্চল্যকর তথ্য। উঠে আসে রবিন মরিস নামের ভারতীয় বুকির নাম। সে সূত্র ধরে অনেক কিছুই করতে পারতো আইসিসি। হয়তো বেরিয়ে আসতো বহু খেলোয়াড়ের নামও। কিন্তু ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিলো কার্যত নীরব। নিজেদের দেশের বুকিদের ধরিয়ে দিয়ে আইসিসিকে সহযোগিতা করেনি বিসিসিআইও।
ভারতীয় বোর্ডের ভূমিকা রীতিমতো রহস্যজনক। ২০১১ বিশ্বকাপে ভারত-নেদারল্যান্ডস ম্যাচে ভারতীয় ড্রেসিংরুমে দেখা যায় প্রদীপ আগারওয়ালকে। জুয়াড়ী আগারওয়াল কিভাবে খেলোয়াড়দের পাশে বসে থাকেন সেটা নিয়ে তখন তোলপাড় হয়েছিলো।
২০১৩ আইপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে মূল হোতা বিক্রম আগারওয়াল। নাম উঠে আসে তখনকার বিসিসিআই চেয়ারম্যান শ্রীনাবাসন, তার জামাতা মায়াপ্পন ও রাজস্থান রয়্যালসের মালিক রাজকুন্দ্রা। পরে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ হন মায়াপ্পান ও কুন্দ্রা। ধোনী ও রায়নাসহ ছয়জন ক্রিকেটারের নাম এসেছিলো তখন। তদন্তে বেরিয়ে আসলেও দেয়া হয় ধামাচাপা।
ম্যাচ ফিক্সিংয়ে সেলিম মালিক থেকে শুরু করে আজহারউদ্দিন থেকে হ্যান্সি ক্রনিয়ে। মোহাম্মদ আমির সালমান বাট। লু ভিনসেন্ট-নাসির জামশেদ বা মোহাম্মদ আশরাফুল। সবাইকে বিভ্রান্ত করেন ভারতীয় বুকিরা। আর সবশেষ ঘটনাতো সবারই জানা। আলোচিত নাম দিপক আগারওয়াল। ফাঁদে পড়ে খেলোয়াড়দের ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়, আর ধরাছোয়ার বাইরে থাকেন আগারওয়ালরা।
এখানেই শেষ নয়। ম্যাচের টস পরিবর্তন করে দেয়ার অভিযোগ আছে ভারতীয়দের বিরুদ্ধে। ভুল হয়েছে বলে পার পেয়েছেন রবি শাস্ত্রী-মুরালী কার্তিকরা। অথচ এসব সন্দেহের আওতায় নিয়ে তদন্ত করতে পারতো আইসিসি। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]