• প্রচ্ছদ » আজকের পত্রিকা » মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে, বললেন প্রধানমন্ত্রী


মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে, বললেন প্রধানমন্ত্রী

আমাদের নতুন সময় : 04/11/2019

বাশার নূরু : জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে গতকাল রোববার রাজধানীর কৃষিবিদ ইস্টিটিউট মিলনায়তনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। রাজাকার, আলবদর, স্বাধীনতাবিরোধী, দুর্নীতিবাজ ও খুনিরা যাতে আর কখনও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে না পারে সেজন্য দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বর জেল হত্যার খুনি, খুনিদের দোসর ও খুনিদের মদদদাতাদের স্থান বাংলার মাটিতে ভবিষ্যতেও কোনোদিন হবে না বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, খন্দকার মোশতাকের নির্দেশে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কারাগারে অস্ত্র নিয়ে ঢোকা যায় না। কিন্তু, তারা অস্ত্র নিয়ে ঢুকেছিল। গণভবন থেকে সেই নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, যেভাবে ঢুকতে চায়, সেভাবেই যেন ঢুকতে দেয়া হয়।
বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী যে ঘটনা ঘটিয়েছে ২০০১ সালে সে ঘটনা আবারও হয়েছিল। দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। মানুষের ওপর অত্যাচার হয়েছে। মৃত ব্যক্তিকেও খালেদা জিয়া প্রমোশন দিয়েছেন। বিএনপির অবরোধ এখনও বহাল, তারা এখনও উঠায়নি। হরতাল দিয়েছে, অগ্নি সংযোগ করেছে, বাসে আগুন দিয়েছে, লঞ্চে আগুন দিয়েছে। এসব হামলায় অনেক মানুষ মারা গিয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়াকে কারাগারে দেখে অনেকেই মায়াকান্না করছেন। আমরা যারা ‘৭৫ সাল থেকে স্বজন হারা বেদনা নিয়ে আছি আমাদের জন্য কি মায়া লাগে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় আছে বলেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাসস্থানসহ সব ব্যবস্থা আমরা করছি। ২০০৮-১৯ পর্যন্ত মানুষ সত্যিকারের স্বাধীনতার সুফল ভোগ করছে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ। ’৪১ সালে এ দেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হবে সে লক্ষ্যে কাজ করতে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত জনগণের কোনো অধিকার ছিল না। যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিল সেই সব সেনা সদস্যদের টার্গেট করে হত্যা করেছিল জিয়াউর রহমান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রক্তপাত, শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন তিনি। স্বাধীনতাবিরোধী চিহিৃত রাজাকারদের রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিল জিয়া। আর তার স্ত্রী খালেদা জিয়া রাজাকারদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা দিয়েছিলেন। বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, একটা দলের যিনি চেয়ারপারসন, তিনি এতিমের অর্থ আত্মসাৎ করে এখন জেলে। আবার ভারপ্রাপ্ত যাকে করল সেও সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও পলাতক। বিএনপির নেতার এতই অভাব হয়ে গেল, একজন নেতা পেল না। বিএনপির নেতৃত্বের এখন এতো অভাব। আমি জানি না, যারা বিএনপি করে তাদের কোনো মেরুদ- আছে কি না, তাদের আত্মমর্যাদা বোধ আছে কি না, সেটাই আমার সন্দেহ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা হলেও খালেদা জিয়া তার প্রতি চরম অসম্মান আচরণ করেছেন। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা নিতে দেননি তিনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। ওবায়দুল কাদের, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মোহাম্মদ নাসিম, সাহারা খাতুন, মাহাবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, কথা সাহিত্যিক আনিসুল হক সভায় বক্তব্য রাখেন। সভা পরিচালনা করেন ড. হাছান মাহমুদ ও আমিনুল ইসলাম। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]