• প্রচ্ছদ » » ফাঁসির দড়ি পরার আগে একটি চিঠি লিখেছিলেন তারই সমবয়সী কিশোরী মালাকে মালাকে ক্ষুদিরাম কি ভালোবাসতেন?


ফাঁসির দড়ি পরার আগে একটি চিঠি লিখেছিলেন তারই সমবয়সী কিশোরী মালাকে মালাকে ক্ষুদিরাম কি ভালোবাসতেন?

আমাদের নতুন সময় : 05/11/2019

প্রবীর বিকাশ সরকার : ড. কাজল রশীদ শাহীন উচ্চশিক্ষিত, গুণী একজন তরুণ। লেখক, গবেষক এবং সম্পাদক। কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে জন্ম ১৯৭৬ সালে, যে বছর আমি লেখালেখির জগতে আত্মপ্রকাশ করি। দৈনিক রূপালী, দৈনিক সংবাদ, দৈনিক প্রথম আলোতে কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কাজল এখন দৈনিক খোলা কাগজ পত্রিকার সম্পাদক। যথা বয়সেই তিনি একটি উদীয়মান দৈনিকের সম্পাদক হতে পেরেছেন, এটা অনেক তরুণের জন্যই আশাবাদ এবং উৎসাহব্যঞ্জক। আমি বজ্রনিনাদ অভিনন্দন জানাই। একটি দৈনিকের সম্পাদক হওয়া ছেলেখেলা নয়! এহেন কাজলের সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ বা জানাশোনা ছিলো না। এ বছর আগস্ট মাসে দেশে গেলে হ্ঠাৎ করেই তার কল পাই মেসেঞ্জারে। আমন্ত্রণ জানায় তার অফিসে। সেদিন সন্ধেবেলা প্রথিতযশা ছড়াকার, কবি, গল্পকার ও অর্থকথার সম্পাদক প্রণব মজুমদার দেখা করতে এলে তাকে সঙ্গে নিয়ে কাজলের অফিসে যাই। এক দারুণ আড্ডা হয় কাজের ফাঁকে ফাঁকে। কাজল আমাকে তার রচিত একটি গ্রন্থ আমাকে উপহার দেয়। ক্ষুদ্রাকার মাত্র ৬০ পৃষ্ঠার উক্ত বইটি একটি অনবদ্য চিত্রনাট্য। এতে বিধৃত হয়েছে অসীম সাহসী কিশোর বিপ্লবী ক্ষুদিরামের বিপ্লবী কর্মকাÐ। কী অনন্য সাধারণ এক কিশোরকে খুঁজে পেলাম এই গ্রন্থে। যে ছিলো রোমান্টিক এক বালক। বিপ্লবীরা খুব রোমান্টিক হন নেতাজি, রাসবিহারী বসুর জীবনেও তাই দেখা গেছে। মহাবিপ্লবী উল্লাসকর দত্ত আর লীলার কাহিনীও আমি পড়েছি।ক্ষুদিরাম ফাঁসির দড়ি পরার আগে একটি চিঠি লিখেছিলো তারই সমবয়সী কিশোরী মালাকে। এটা জানতাম না, কাজলের বইটি তা জানিয়ে আমাকে আবেগাপ্লুত করে দিয়েছে। মালাকে ক্ষুদিরাম কী ভালোবাসতো? জানা নেই। শুধু জানলাম যারা সত্যিকার স্বদেশি বা দেশপ্রেমিক তারা রোমান্টিক হয়ই তবে সবার কথা জানা যায় না বা প্রকাশিত হয় না। কাজলকে অনেক ধন্যবাদ। তাকে আরও একটি কারণে আমার ভালো লাগলো, বিশ্বখ্যাত আইনজ্ঞ বিচারপতি রাধাবিনোদ পালের জন্মস্থানের মানুষ সে। জাপানে কুষ্টিয়ার সন্তান বিচারপতি পাল দেবতাতুল্য শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত। আমরা গর্বিত। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]