• প্রচ্ছদ » » মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে সচিবালয়ে, মেয়র থাকতে নগর ভবনে কতোবার গিয়েছি হিসেব নেই, কতো আদর-স্নেহ পেয়েছি এই বীর মুক্তিযাদ্ধার সেসব কথা মনে পড়ছে


মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে সচিবালয়ে, মেয়র থাকতে নগর ভবনে কতোবার গিয়েছি হিসেব নেই, কতো আদর-স্নেহ পেয়েছি এই বীর মুক্তিযাদ্ধার সেসব কথা মনে পড়ছে

আমাদের নতুন সময় : 05/11/2019

জ.ই. মামুন : ২০০১ সালের নির্বাচনের অল্প কদিন আগে, একুশে টেলিভিশনের রিপোর্টার হিসেবে আমি তখন বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনী প্রচারণার সংবাদ সংগ্রহ করি। একুশে তখন তুমুল জনপ্রিয়, সেই সুবাদে আমাকেও লোকজন চিনতে শুরু করেছে। সেদিন আমার এসাইনমেন্ট ছিলো কোতয়ালি সূত্রাপুর এলাকায় সাদেক হোসেন খোকার নির্বাচনী প্রচারণার খবর সংগ্রহ করা।
খোকা ভাই ব্যস্ত ছিলেন বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগে। সেদিন সন্ধ্যায় তাকে পেলাম সদরঘাটের কাছাকাছি এক মহল্লায়। তিনি হাঁটছেন, পেছনে কর্মী সমর্থকদের ভিড়, তুমুল স্লোগান- খোকা ভাইয়ের সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন। আমিও হাঁটছিলাম তার পেছনে। এক পর্যায়ে তার কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে কয়েকজন আমাকে কাঁধে তুলে নিলেন এবং স্লোগান দেয়া শুরু করলেন- মামুন ভাইয়ের সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন! সে কী বিব্রতকর পরিস্থিতি আমার জন্য! এর বছর তিনেক পরে তিনি তখন ঢাকার মেয়র। মিন্টো রোড়ের একটা লাল বাড়িতে থাকেন। তিনি একটা টেলিভিশন শুরু করবেন, নাম বাংলা ভিশন। আমাকে ডাকলেন কী করে টেলিভিশন চালাতে হয়, কী করে নিউজ ভালো করা যাবেÑ এসব বিষয় আমার কথা শুনতে। কথা শোনার আগে আমরা একসঙ্গে ভাত খেলাম, মাগুর মাছ দিয়ে। কতো কথা হলো। অনেকে হয়তো জানেন, তিনি আমাকে তার টেলিভিশনের দায়িত্ব নেয়ার আহ্বানও জানিয়েছিলেন। তার গোপীবাগের বাসায় একাধিকবার গিয়েছি, মন্ত্রী হিসেবে সচিবালয়ের অফিসে গিয়েছি, মেয়র হিসেবে নগর ভবনের অফিসে কতোবার গিয়েছি হিসেব নেই। সংসদ ভবনের অফিসে গিয়েছি। কতো আদর- স্নেহ পেয়েছি! আজ এই বীর মুক্তিযাদ্ধার মৃত্যু সংবাদ শুনে সেসব কথা একে একে মনে পড়ছে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]