একজন মেরুদ-হীন, দুর্নীতিবাজ শিক্ষক ও ভিসিকে মেনে নিতে আমার ঘোর আপত্তি আছে

আমাদের নতুন সময় : 07/11/2019

জান্নাতুন নাঈম প্রীতি : জাহাঙ্গীরনগরের ভিসিকে আমি জীবনে ‘ম্যাম’ বলে সম্বোধন করি নাই, খুব সজ্ঞানে যতোবার দেখা হয়েছে এই কাজটা আমি করেছি। আমার শিক্ষক সাঈদ ফেরদৌস, মির্জা তাসলিমা সুলতানা, রায়হান রাইনসহ সকলকে পেটানো, গায়ে হাত তোলা ছাত্রলীগ নামক সংগঠনটিকে তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। একই বিভাগে সাঈদ ফেরদৌস তার সহকর্মী। আমার ঠিক তখনই নিজের প্রতি প্রবল ভালোবাসা জন্মেছে যখন আমি আবিষ্কার করলামÑ আমি এই জঘন্য নারীকে কখনো ‘ম্যাডাম’ বলে ডাকিনি যিনি নিজের সহকর্মীদের, ছাত্রছাত্রীদের পেটানোর জন্য তিনি ছাত্রলীগের জঘন্য কুলাঙ্গারদের বাহবা দেন নির্দ্বিধায় এবং সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের ‘শিবির’ ট্যাগ দিয়ে পেটানোর লাইসেন্স চান।
ফারজানা ইসলাম, আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শিক্ষার্থী হিসেবে আপনাকে শিক্ষক হিসেবে মানতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছি। আমি আরও আপনাকে মনে করিয়ে দিচ্ছিÑ আপনি একজন বেঈমান, আপনি আমার বাবা-মার উপস্থিতিতে ছাত্রলীগের নেত্রীর বিরুদ্ধে করা র‌্যাগিংয়ের অভিযোগের ব্যাপারে লোক দেখানো তদন্ত কমিটি বানিয়ে তদন্ত রিপোর্ট দিতে চেয়েছিলেন এক মাসের মধ্যে। সেই তদন্ত রিপোর্ট আসে নাই তিন বছর চলে গেলেও। কারণ ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের আপনার দরকার নিজের গদি টিকায়ে রাখতে। একজন মেরুদ-হীন মহিলাকে আমার শিক্ষক এবং একজন দুর্নীতিবাজ ভিসিকে একই কারণে শিক্ষক হিসেবে মেনে নিতে আমার ঘোর আপত্তি আছে। আপনাকে আমি শিক্ষক হিসেবে মানি না এবং কখনো মানবো না। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী, শিক্ষক এবং অনুজদের ওপর হামলা করায় ছাত্রলীগকে বাহবা জানানোর ন্যাক্কারজনক আচরণে আপনাকে অন্তর থেকে একরাশ থুতু। আপনি শিক্ষক নামের কলঙ্ক। আপনার জন্য আমার ধিক্কার, আপনার জন্য আমার ঘৃণা। -জান্নাতুন নাঈম প্রীতি, ৪৫ তম আবর্তন, চারুকলা বিভাগ, প্রীতিলতা হলÑজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]