• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » পরিবহন সেক্টরে চাঁদার পরিমান কমছে নতুন সড়ক আইন প্রয়োগ নিয়ে শঙ্কায় মালিকরা


পরিবহন সেক্টরে চাঁদার পরিমান কমছে নতুন সড়ক আইন প্রয়োগ নিয়ে শঙ্কায় মালিকরা

আমাদের নতুন সময় : 08/11/2019

ইসমাঈল ইমু : দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর সকল রুটে যাত্রী পরিবহন বাস থেকে নিয়মিত চাঁদা তোলা হলেও গত কয়েকদিন ধরে তা বন্ধ রয়েছে। নির্দিষ্ট বাস স্টপেজে লাইনম্যানরা ওয়েবিলে স্বাক্ষর করছেন না। বাস মালিকরা লাইনম্যান ও সুপারভাইজারদের এক সপ্তাহের জন্য ছুটি দিয়েছেন। নতুন সড়ক আইন প্রয়োগ শুরু হলে তারা আবারো দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু এই আইন প্রয়োগ শুরু হলে নতুন সংকট দেখা দেবে। পরিবহন সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
রাজধানীর বিভিন্ন রুটের একাধিক পরিবহন মালিক জানান, সম্প্রতি পরিবহন মালিকদের নিয়ে পরিবহন সেক্টরে বিভিন্ন খাতের চাঁদাবাজী নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন পরিবহন নানা খাতে লাইনম্যানদের দিয়ে টাকা তুলতো। তবে টাকার তেলার সকল দোষ চাপানো হতো সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির উপর। অথচ বাস মালিকরা পুলিশ, লাইনম্যান, হেলপার, অফিস খরচ, শ্রমিক ইউনিয়নসহ নানা খাত সৃষ্টি করে চাঁদা তুলে থাকে। নতুন সড়ক আইন প্রয়োগের আগে তারা পুলিশকে চাঁদা দেয়া বন্ধ ও চাঁদার টাকার পরিমান কমিয়ে আনার পরামর্শ দেয়।
এদিকে গত ১ নভেম্বর থেকে নতুন সড়ক আইন প্রয়োগের কথা থাকলেও জনসচেতনতার কারণে ট্রাফিক পুলিশ আইন প্রয়োগ থেকে বিরত রয়েছে। আগামী রোববার থেকে তা শুরু হতে পারে। এ ক’দিন পরিবহন মালিক চালক ও পথচারীদের নতুন সড়ক আইনের বিষয় নিয়ে সচেতন করছে পুলিশ। এসময়ের মধ্যে কোনো পরিবহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করার সঙ্গে নিয়মিত যে টাকা পুলিশ নিতো তা নিচ্ছে না।
অপরদিকে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন আইন প্রয়োগ শুরু হলে রাজধানীতে যাত্রী পরিবহন বাসের সংখ্যা কমে যাবে। এতে দূর্ভোগে পড়বে হাজার হাজার যাত্রী। সূত্র বলছে, বেশিরভাগ বাসেরই একাধিক মামলা রয়েছে। কেনো কোনো পরিবহন রয়েছে যাদের রুট পারমিট এখনো পায়নি। বিআরটিএ’র আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে তা। আবার রুট পারমিট থাকলেও ফিটনেসবিহীনও রয়েছে অনেক বাস। এ সংক্রান্তে মামলা ও জরিমানা দিয়েই রাস্তায় চরাচল করছে এসব পরিবহন। এসব সমস্যা সমাধান না করে নতুন সড়ক আইন প্রয়োগ শুরু হলে নুতন করে আরেকটি সংকট দেখা দিতে পারে বলে ধারণা পরিবহন সংশ্লিষ্টদের। সম্পাদনা: খালিদ আহমেদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]