বাবরি মসজিদের রায় দেয়া পাঁচ বিচারপতি

আমাদের নতুন সময় : 09/11/2019

হাসনাত কুশল : চলতি মাসে রঞ্জন গগৈ এ পদ থেকে অব্যাহতি নেবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জানায়, তাঁর বাবা কেশবচন্দ্র গগৈ ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একজন প্রবীণ রাজনীতিক ও ১৯৮২ সালে কেশবচন্দ্র দুই মাসের জন্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। রঞ্জন গগৈ ১৯৭৮ সাল থেকে আসামের গুয়াহাটি হাইকোর্টে ওকালতি শুরু করেন। ২০০১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি সেখানে স্থায়ীভাবে সমাসীন হন। ২০১০ সালের ৯ অক্টোবর পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০১১ সালের ২৩ এপ্রিল সেখানকার প্রধান বিচারপতি হন বর্তমানে তিনি সুপ্রীমকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে কাজ করছেন।
শারদ অরবিন্দ বব্দে : শারদ অরবিন্দ বব্দে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতি হিসেবে সুদীর্ঘ আট বছর ধরে কাজ করছেন এবং তিনি সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ বিচারপতি। সেই বিবেচনায় রঞ্জন গগৈয়ের পর তিনিই প্রধান বিচারপতি পদের হকদার এবং সেকবারণে রঞ্জন অবসর নেয়ার আগে পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হিসেবে তাঁর নাম সুপারিশ করেন। এছাড়া শারদ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ও নাগপুরে মহারাষ্ট্র ন্যাশনাল ল’ ইউনিভার্সিটির আচার্য হিসেবে সমাসীন আছেন।
ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়
ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড় মুম্বাই হাইকোর্টের বিচারপতি এবং এলাহাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। বর্তমানে তিনি সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতি হিসেবে সমাসীন। অশোক ভূষণ কেরালা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এবং পরবর্তীতে তিনি সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন।
এস. আব্দুল নাজির
এস. আব্দুল নাজির কর্ণাটক হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন এবং ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]