• প্রচ্ছদ » আমাদের বিশ্ব » শান্তিপূর্ণভাবে অযোধ্যা মামলার বিচার ও রায় দিতে পেরে সন্তষ্ট ভারতের সুপ্রিম কোর্ট


শান্তিপূর্ণভাবে অযোধ্যা মামলার বিচার ও রায় দিতে পেরে সন্তষ্ট ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

আমাদের নতুন সময় : 09/11/2019

রাশিদ রিয়াজ : ভারতের সুপ্রিম কোর্ট অযোধ্যার বিতর্কিত জমির সবটাই কেন হিন্দুদের হাতে তুলে দিল সুপ্রিম কোর্ট এমন প্রশ্ন উঠলেও বিচারকরা তাদের এ রায়ে নিজেরা সন্তষ্ট। তাদের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে হিন্দু সাক্ষীদের বর্ণনা অনুসারে মসজিদের ভিতরে কসৌটি পাথরের স্তম্ভে হিন্দুরা পূজা করতেন। আদালত বলেছে রাম চবুতরায় “দীর্ঘ নিরবচ্ছিন্ন অব্যাহত পূজার্চনা” এবং অন্যান্য তাৎপর্যপূর্ণ ধর্মীয় ক্রিয়াকলাপ চালানোর মাধ্যমে বাইরের অংশে দখলিস্বত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে হিন্দুরা। আদালত পর্যবেক্ষণে এও জানিয়েছেন, মুসলিম সাক্ষীরা স্বীকার করেছেন, মসজিদের ভিতরে এবং বাইরে হিন্দু ধর্মের প্রতীক বর্তমান ছিল। টাইমস অব ইন্ডিয়া/হিন্দুস্তান।
এছাড়া গম্বুজের সৌধে যে প্রবেশপথ তা নিয়ে শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। “পূর্ব ও উত্তর দিকের দুটি দরজার সম্ভাব্য একমাত্র কারণ এই যে বাইরের চত্বর হিন্দু ভক্তদের দখলে ছিল।”
এর ভিত্তিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, “সম্ভাব্যতার ভারসাম্য বিচার করলে প্রমাণাদি থেকে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে যে হিন্দুরা বাইরের চবুতরায় ১৮৫৭ সালে ইট ও জাফরির দেওয়ান তৈরি করা সত্ত্বেও নিরবচ্ছিন্ন ভাবে পূজা চালিয়ে গিয়েছেন। সমস্ত ঘটনাপ্রবাহ মিলিয়ে দেখলে বাইরের চবুতরায় তাদের দখল স্পষ্ট প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। ভেতরের অংশ নিয়ে শীর্ষ আদালত বলেছে, ১৮৫৭ সালে ব্রিটিশরা অযোধ্যা দখলের আগে পর্যন্ত হিন্দুরা যে সেখানে পূজা করত এ সম্ভাবনাই ভারী। ষোড়শ শতাব্দীতে নির্মাণের সময়কাল থেকে ১৮৫৭ সালের আগে পর্যন্ত একমাত্র তারাই যে ভেতরের অংশের কর্তৃত্ব ভোগ করত, সে কথা প্রমাণ করতে পারেনি মুসলিম পক্ষ।”




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]