সৌদিতে নারী গৃহকর্মী পাঠাতে মানা হচ্ছে না দূতাবাসের সুপারিশ

আমাদের নতুন সময় : 10/11/2019

তরিকুল ইসলাম : প্রায় অভিন্ন অভিযোগ নিয়েই দেশে ফিরছেন সৌদি আরবে গৃহকর্মীর কাজে যাওয়া বাংলাদেশের নারীরা। কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতা ও ভাষা দক্ষতা না থাকলেও স্বপ্ন পূরণের আশায় সৌদি আরবসহ মধ্যে প্রাচ্যর দেশগুলোতে ঝুঁকি নিয়ে ছুটে চলা নারীদের শেষের গল্পটা কান্নায় মিলিয়ে যাওয়ার। মেটা দাগে এ সংখ্যাটাই বেশি। যেসব গৃহকর্মীরা কাজের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে পেরেছেন তারা পুনরায় নিয়োগ কর্তার কাছে ফিরেও যাচ্ছেন। যদিও এমন নজির হাতে গোনা বলেই জানিয়েছেন রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা।
দেশটি থেকে গত এক বছরে প্রায় ২০ হাজার নারীকর্মী সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার ফিরেছেন দূতাবাসের মাধ্যমে। বাকীরা নিজে নিজেই, কফিল এবং অন্যদের সহায়তায় ফিরেছেন বলে জানিয়েছে দূতাবাস।
আমাদের নতুন সময়ের সঙ্গে আলাপকালে ওই কর্মকর্তা বলেন, গৃহকর্মী এরপর পৃষ্ঠা ৭, সারি
(শেষ পৃষ্ঠার পর) পাঠানোর আগে যে শৃঙ্খলা অনুসরন করা দরকার সেটি করা হচ্ছে না বলেই এমন উদ্ভুত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যত দিন সৌদি আরবে নারী জনশক্তি রপ্তানীকে সিস্টেমের মধ্যে না আনা যাচ্ছে ততদিন গৃহকর্মী প্রেরণ বন্ধ রাখতে ঢাকাকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এদিকে, সৌদি আরবে গৃহকর্মীদের তিক্ত অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে গত তিন বছর ধরে বাংলাদেশকে বেশ কিছু সুপারিশ পাঠিয়েছিলো দূতাবাস। অথচ দূবাসের সেই সুপারিশ নিয়ে ঢাকায় কোনো আলোচনা নেই।
দূতাবাসের সুপারিশে বলা হয়, নারী কর্মী পাঠানোর আগে তাদের কাজের ধরণ কি হবে, কোথায় হবে সে বিষয়ে আগেই তথ্য পাঠাতে হবে। তারা কোথায়, কার বাসায় কাজ করতে যাচ্ছেন সে সংক্রান্ত তথ্য বা প্রস্তাব সম্পর্কে যাচাই-বাছাই করার সময় রাখতে হবে। দূতাবাসের অনুমোদন পাওয়ার পর গৃহকর্মীদের ভাষাগত দক্ষতা তৈরি করা, কাজ সম্পর্কে ধারণা দেয়া এবং অন্যান্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করে পাঠানো। দূতাবাসের পাঠানো নোটে ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের মেইড ওয়ার্কার সৌদি আরবে পাঠানো সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার বিষয়ে ঢাকাকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া সৌদি আরবে পুরুষ কর্মী পাঠাতেও বিভিন্ন দেশের ন্যায় হাইকমিশনের অনুমোদনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে সুপারিশ পত্রে। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ, আবদুল অদুদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]